রঘুনাথ মন্দির, পুরশুড়া, আরামবাগ, হুগলি
শ্যামল কুমার ঘোষ
আরামবাগ মহকুমার পুড়শুড়া থানা ও ব্লকের অন্তর্গত একটি গ্রাম পুড়শুড়া। আরামবাগ ও তারকেশ্বর থেকে বাসে এখানে যাওয়া যায়।
এই গ্রামের আটচালা রঘুনাথ মন্দির স্থানীয় ঘোষ বংশ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য লিখিত হুগলি জেলার পুরাকীর্তি গ্রন্থে মন্দিরটি সিংহ বংশ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মন্দিরটি উঁচু ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত, দক্ষিণমুখী ও ত্রিখিলান প্রবেশপথযুক্ত। গর্ভগৃহের সামনে অলিন্দ। গর্ভগৃহে ঢোকার দুটি দরজা। একটি সামনে অর্থাৎ দক্ষিণ দিকে এবং অপরটি পশ্চিম দিকে। মন্দিরের নির্মাণকাল ১৬৭৫ শকাব্দ অর্থাৎ ১৭৫৩ খ্রিষ্টাব্দ। মন্দিরে একটি প্রতিষ্ঠাফলক আছে। মন্দিরের সামনের দেওয়াল টেরাকোটা অলংকরণে অলংকৃত। গর্ভগৃহে শ্রীশ্রী রঘুনন্দন ( নারায়ণ শিলা ) নিত্য পূজিত।
মন্দিরটির অবস্থা খুবই সঙ্গিন। গর্ভগৃহের ছাদ ফেটে ফাঁক হয়ে গেছে। খুব তাড়াতাড়ি সংস্কার না করলে আমরা আর একটি টেরাকোটা মন্দির হারাবো।
সহায়ক গ্রন্থ :
১) হুগলি জেলার পুরাকীর্তি : নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য
মন্দিরটির অবস্থা খুবই সঙ্গিন। গর্ভগৃহের ছাদ ফেটে ফাঁক হয়ে গেছে। খুব তাড়াতাড়ি সংস্কার না করলে আমরা আর একটি টেরাকোটা মন্দির হারাবো।
![]() |
| রঘুনাথ মন্দিরের সামনের ত্রিখিলান বিন্যাস |
![]() |
| রঘুনাথ মন্দির, পুরশুড়া |
![]() |
| বাঁ দিকের খিলানের উপরের কাজ |
![]() |
| মাঝের খিলানের উপরের কাজ |
![]() |
| মাঝের খিলানের উপরের কাজ ( বড় করে ) |
![]() |
| মাঝের খিলানের উপরের কাজ ( বড় করে ) |
![]() |
| ডান দিকের খিলানের উপরের কাজ |
![]() |
| কুলুঙ্গির মধ্যে কাজ ও নকশা |
![]() |
| কুলুঙ্গির মধ্যে কাজ - ১ |
![]() |
| কুলুঙ্গির মধ্যে কাজ - ২ |
![]() |
| কুলুঙ্গির মধ্যে কাজ - ৩ |
![]() |
| কুলুঙ্গির মধ্যে কাজ ও প্রতিষ্ঠাফলক |
![]() |
| প্রতিষ্ঠাফলক |
সহায়ক গ্রন্থ :
১) হুগলি জেলার পুরাকীর্তি : নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য
-----------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন। আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না। অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।
বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা।
রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।
বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন : 9038130757 এই নম্বরে।
কলকাতার কলেজস্ট্রিটের মোড়ে দুই মোহিনীমোহন কাঞ্জিলালের কাপড়ের দোকানের মাঝের রাস্তা ১৫, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিটের উপর অবস্থিত বিদ্যাসাগর টাওয়ারের দু'তলায় 'রা প্রকাশনে'র দোকান ( রা বইহেমিয়ন )। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।















মন্দির গুলোকে রক্ষণাবেক্ষণ করা দরকার।
উত্তরমুছুন