গঙ্গাধর শিব মন্দির, গৌরহাটি, আরামবাগ, হুগলি
শ্যামল কুমার ঘোষ
রেলপথে হাওড়া থেকে আরামবাগের দূরত্ব ৮২ কিমি। ট্রেনে সময় লাগে ২ ঘন্টা। আরামবাগ থানা ও ব্লকের অন্তর্গত একটি গ্রাম গৌরহাটি। আরামবাগ শহর থেকে দূরত্ব ১৩ কিমি। আরামবাগ থেকে বন্দরের ( ২৪ নম্বর ) বাসে এখানে যাওয়া যায়। গৌরহাটি বাজার থেকে খানিকটা দূরে গঙ্গাধর নামক শিবের একটি মন্দির আছে।
গঙ্গাধর শিবের মন্দিরটি স্থানীয় দালাল বংশ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত, নির্মাণকাল ১৭৫২ খ্রিষ্টাব্দ। উঁচু ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত, পূর্বমুখী, এক দ্বার বিশিষ্ট, ছোট আটচালা শৈলীর মন্দির। দৈর্ঘ ও প্রস্থে ২.৭৫ মিটার করে। মন্দিরের সামনের দেওয়ালে 'টেরাকোটা'র অলংকরণ আছে। তবে সংস্কারের সময় রঙের প্রলেপ দেওয়াতে 'টেরাকোটা' অনেকটাই এখন ম্লান। মন্দিরে টেরাকোটা মূর্তিগুলির মধ্যে কয়েকটি মিথুন মূর্তি আছে। গর্ভগৃহে গঙ্গাধর শিবলিঙ্গ নিত্য পূজিত।
![]() |
গঙ্গাধর শিবমন্দির |
![]() |
মন্দিরের সামনের বিন্যাস |
![]() |
কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ১ |
![]() |
কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ২ |
![]() |
কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৩ |
![]() |
কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৪ |
![]() |
কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৫ |
![]() |
কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৬ |
![]() |
কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৭ |
সহায়ক গ্রন্থ :
১) হুগলি জেলার পুরাকীর্তি : নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য --------------------------------------------------------------
রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ' প্রকাশিত হয়েছে।
বইটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন : 9038130757 এই নম্বরে।
কলকাতার কলেজস্ট্রিটের মোড়ে দুই মোহিনীমোহন কাঞ্জিলালের কাপড়ের দোকানের মাঝের রাস্তা ১৫, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিটের উপর অবস্থিত বিদ্যাসাগর টাওয়ারের দু'তলায় 'রা প্রকাশনে'র দোকান। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।
--------------------------------------------------------------
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন