মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২০

Bankatir Pitaler Rath ( Brass Chariot of Bankati )



বনকাটির  পিতলের  রথ 

শ্যামল  কুমার  ঘোষ 

            পশ্চিম  বর্ধমান  জেলার  কাঁকসা  থানার  অন্তর্গত  একটি  প্রাচীন  ও  বর্ধিষ্ণু  গ্রাম  বনকাটি।  বাসে  পানাগড়-ইলামবাজার  রাস্তার  ১১  মাইল  স্টপেজে  নেমে  টোটোতে  এই  গ্রামে  যাওয়া  যায়।  ঘন  জঙ্গল  কেটে  বসতি  স্থাপন  করা  হয়েছিল  বলে  গ্রামের  নাম  হয়  বনকাটি।  বনকাটির  মন্দিরগুলি  গ্রামের  দ্রষ্টব্য  হলেও  মূল  আকর্ষণ  কিন্তু  প্রচুর  নকশি  কাজে  মন্ডিত  এখানকার  পিতলের  রথ।  গ্রামের  মুখোপাধ্যায়  পরিবার  লাক্ষার  ব্যবসা  করে  প্রচুর  ধন-সম্পত্তি  করেন।  এই  মুখোপাধ্যায়  পরিবারের  রামপ্রসাদ  মুখোপাধ্যায়  ( অন্য  মতে,  শশীভূষণ  মুখোপাধ্যায় )  এই  রথটি  নির্মাণ  করান।  বনকাটির  গোপালেশ্বর  মন্দিরটিও  এঁদের  তৈরি।  বর্তমানে  অবশ্য  মন্দির  ও  রথ  স্থানীয়  রায়  বংশের  তত্ত্বাবধানে  আছে।  

            তারাপদ  সাঁতরা  'সাহিত্য  পত্র'  পত্রিকায়  পশ্চিমবঙ্গের মোট  একচল্লিশটি  পিতলের  রথের  তালিকা  প্রকাশ  করেছিলেন।  এই  রথগুলির  মধ্যে  বনকাটির  রথটি  সর্বশ্রেষ্ট  বললে  অত্যুক্তি  হবে  না।  শিল্পাচার্য  নন্দলাল  বসু  কলাভবনের  ছাত্রছাত্রীদের  নিয়ে  এখানে  এসে  রথের  অলংকরণগুলির  ড্রয়িং  করে  নিয়ে  গিয়েছেলেন।  সে  সব  'মোটিফ'  অনেক  ক্ষেত্রে  তাঁকে  ও  তাঁর  ছাত্রছাত্রীদের  নতুন  সৃষ্টির  প্রেরণা  জুগিয়েছে।  শান্তিনিকেতনের  কালোবাড়ির  দেওয়ালের  কয়েকটি  ভাস্কর্যের  আদি  নকশা  বনকাটির  রথ  থেকে  সংগৃহিত। 

            চিরাচরিত  কাঠের  রথের  বদলে  পিতলের  রথ  তৈরি  হয়েছে  নানা  কারণে।  তার  মূল  কারণ  এর  স্থায়িত্ব।  কাঠের  রথ  বৃষ্টির  জলে,  ঘুনপোকার  আক্রমণে  সহজেই  নষ্ট  হয়ে  যায়।   কিন্তু  পিতলের  রথের  ক্ষেত্রে  সে  সম্ভাবনা  থাকে  না।  তাই  একই  আয়তনের  কাঠের  রথের  চেয়ে  পিতলের  রথের  খরচ  অনেক  বেশি  পড়লেও  এর  দীর্ঘস্থায়িত্বের  কথা  বিবেচনা  করে  বিত্তশালী  প্রতিষ্ঠাতারা  পিতলের  রথের  দিকে  ঝুঁকেছিলেন।  কারণ  অর্থব্যয়  করাটা  তাঁদের  কাছে   কোন  বড়  ব্যাপার  ছিল  না।

            লোহার  ফ্রেমের  উপরে  পিতলের  পাত  বসিয়ে  পঞ্চরত্ন  মন্দিরের  আদলেই  এ  রথগুলি  সাধারণত  তৈরি  হয়েছে।  দু  রকম  ভাবে  পিতলের  রথে  নকশি  কাজ  করা  হয়েছে।  পিতলের  চাদরের  গায়ে  ছেনি  দিয়ে  খোদাই  করে  নকশা  আঁকা  হয়েছে  অথবা  পিতলের  পাতকে  ছাঁচের  উল্টো  পিঠে  রেখে  হাতুড়ি  দিয়ে  পিটিয়ে  'রিলিফ'  ভাস্কর্য  সৃষ্টি  করা  হয়েছে।  সহজতর  কারিগরির  জন্য  প্রথমোক্ত  পদ্ধতিতেই  অধিকাংশ  পিতলের  রথে  নকশা  ফুটিয়ে  তোলা  হয়েছে।  বনকাটির  রথেও  এই  পদ্ধতিই  ব্যবহার  করা  হয়েছে।  বলা  বাহুল্য,  খোদাই  করার  আগে  পিতলের  পাতের  উপর  সম্ভবত  খড়ি  দিয়ে  নকশাগুলি  এঁকে  নেওয়া  হত। 

            ৮  টি  লোহার  চাকার  উপর  অবস্থিত  বনকাটির  রথটি  আকারে  মাঝারি,  উচ্চতা  অনধিক  ৪.৫৭  মিটার,  একতলার  দৈর্ঘ্য-প্রস্থ  ১.৯৫  মিটার,  দোতালার  ১.৩৪  মিটার।  খোদাই  কাজের  প্রাচুর্য  ও  উৎকর্ষতায়  এটি  পশ্চিমবঙ্গের  এই  জাতীয়  রথগুলির  মধ্যে  সর্বশ্রেষ্ট।  " সন  ১২৪১  সাল  তাং  ২  মাঘ  য়ারাম্ভ   সন  ১২৪২  সাল   ১৫  য়াশাড়  তোয়র"  - এই  প্রতিষ্ঠালিপি  থেকে  বোঝা  যায়  এই  বিপুল  শিল্পকর্ম  মাত্র  সাড়ে  পাঁচ  মাসে  সম্পন্ন  হয়।  একাধিক  শিল্পী  এর  সঙ্গে  যুক্ত  থাকলেও  এটা  কম  কৃতিত্বের  নয়।

            কাঠ-খোদাই,  পোড়ামাটির  মন্দির-অলংকরণ  বা  পটচিত্রের  আঙ্গিকের  সঙ্গে  পিতলের  রথের  নকশি  কাজের  বেশ  সাদৃশ্য  লক্ষ্য  করা  যায়।  বনকাটির  রথের  অলংকরণও  তার  ব্যতিক্রম  নয়।  রামায়ণ-মহাভারতের  কাহিনী,  পৌরাণিক  উপাখ্যান,  দশাবতার,  সামাজিক  জীবনযাত্রা,  শিকার  দৃশ্য  ও  অজস্র  ফুলকারি  নকশায়  মোড়া  এই  রথটি।  কিন্তু  চরম  অবহেলায়  রথটি  সারা  বছর  পড়ে  থাকে  পল্লীর  এক  কোনে। 

                   *************************************

 রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ' প্রকাশিত হয়েছে।


 বইটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের মোড়ে দুই মোহিনীমোহন কাঞ্জিলালের কাপড়ের দোকানের মাঝের রাস্তা ১৫, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিটের উপর অবস্থিত বিদ্যাসাগর টাওয়ারের দু'তলায় 'রা প্রকাশনে'র দোকান। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

         প্রকাশনীতে বইটা বেস্টসেলার হয়েছে।


শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২০

Temples of Bankati, Bankati, Kanksa, Paschim Bardhaman


বনকাটি  গ্রামের  মন্দির,  বনকাটি,  কাঁকসা,  পশ্চিম  বর্ধমান  



শ্যামল  কুমার  ঘোষ 


            পশ্চিম  বর্ধমান  জেলার  কাঁকসা  থানার  অন্তর্গত  একটি  প্রাচীন  ও  বর্ধিষ্ণু  গ্রাম  বনকাটি।  বাসে  পানাগড়-ইলামবাজার  রাস্তার  ১১  মাইল  স্টপেজে  নেমে  টোটোতে  এই  গ্রামে  যাওয়া  যায়।  ঘন  জঙ্গল  কেটে  বসতি  স্থাপন  করা  হয়েছিল  বলে  গ্রামের  নাম  হয়  বনকাটি।  বনকাটির  পঞ্চরত্ন  গোপালেশ্বর  মন্দির  সম্বন্ধে  আগেই  লিখেছি।  এখানে  অন্যান্য  মন্দিরগুলি  সম্বন্ধে  আলোচনা  করব।  গোপালেশ্বর  মন্দির  সম্বন্ধে  জানতে  নিচের  লিঙ্কে  ক্লিক  করতে  পারেন। 

                     পঞ্চরত্ন  গোপালেশ্বর  মন্দির,  বনকাটি    

            গ্রামের  মন্দিরতলায়  এখন  পাঁচটি  শিব  মন্দির  ও  একটি  কালী  মন্দির  আছে।  রায়  বংশের  আদি  পুরুষ  লক্ষ্মীকান্ত  রায়  এই  মন্দিরগুলি  প্রতিষ্ঠা  করেছিলেন।  রাস্তা  থেকে  মন্দির  ক্ষেত্রে  ঢুকলে  বাঁ  দিকে  দেখা  যাবে  একই  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত  তিনটি  দেউল।  প্রথম  মন্দিরটি  গোপেশ্বর  মন্দির  নামে  পরিচিত।  মন্দিরের  দরজার  খিলানের  উপর  কালী  মূর্তি  মহাদেবের  বুকের  উপর  দণ্ডায়মান।  দ্বিতীয়  উমেশ্বর  মন্দিরের  দরজার  খিলানের  উপর  সপরিবারে  দুর্গা  মূর্তির  টেরাকোটা  ফলক  দেখা  যায়।  তৃতীয়  মন্দিরটি  কালীশ্বর  মন্দির  নামে  পরিচিত।  মন্দিরের  দরজার  খিলানের  উপর  ষোড়শী  মূর্তি  দেখা  যায়।  প্রসঙ্গতঃ  উল্লেখ্য,  তিনটি  মান্দিরই  পূর্বমুখী  এবং  প্রতিষ্ঠাকাল  ১৭৫৬  শকাব্দ  বা  ১৮৩৪  খ্রীষ্টাব্দ। 


পূর্বমুখী তিনটি দেউল 

গোপেশ্বর শিব মন্দিরের খিলানের উপরের কাজ

গোপেশ্বর শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠাফলক

দ্বিতীয় শিব মন্দিরের খিলানের উপরের কাজ

দ্বিতীয় শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠাফলক

কালীশ্বর শিব মন্দিরের খিলানের উপরের কাজ

কালীশ্বর শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠাফলক

            এই  মন্দির  তিনটি  ছাড়িয়ে  ডান  দিকে  ঘুরলে  বাঁ  দিকে  কালী  মন্দির  এবং  ডান  একই  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত  দুটি  আটচালা  শিব  মন্দির  দেখা  যাবে।  প্রথম  মন্দিরটি  উমেশ্বর  মন্দির  নামে  পরিচিত।  মন্দিরের  দরজার  খিলানের  উপর  গনেশ  মূর্তির  টেরাকোটা  ফলক  দেখা  যায়।  দ্বিতীয়  মন্দিরটি  বিশ্বেশ্বর  মন্দির  নামে  পরিচিত।  মন্দিরের  দরজার  খিলানের  উপর  মহিষাসুরমর্দিনী  মূর্তি  দেখা  যায়।   প্রসঙ্গতঃ  উল্লেখ্য,  দুটি  মান্দিরই  উত্তরমুখী  এবং  প্রতিষ্ঠাকাল  ১৭০৪  শকাব্দ  বা  ১৭৮২  খ্রীষ্টাব্দ। 


উত্তরমুখী দুটি শিব মন্দির 

উমেশ্বর শিব মন্দিরের খিলানের উপরের কাজ 

উমেশ্বর শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠাফলক 

বিশ্বেশ্বর শিব মন্দিরের খিলানের উপরের কাজ

মহিষাসুরমর্দিনী  মূর্তি

বিশ্বেশ্বর শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠাফলক


               মন্দিরটি  পরিদর্শনের  তারিখ :  ১৩.১২.২০১৯ 

           --------------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।




প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।



 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২০

Twin Shib Temple, Kalikapur, Purba Bardhaman



জোড়া  শিব  মন্দির,  কালিকাপুর,  পূর্ব  বর্ধমান



শ্যামল  কুমার  ঘোষ 


             পূর্ব  বর্ধমান  জেলার  আউশগ্রাম  থানার  অন্তর্গত  একটি  প্রাচীন  ও  বর্ধিষ্ণু  গ্রাম  কালিকাপুর।  বাসে  পানাগড়-ইলামবাজার  রাস্তার  ১১  মাইল  স্টপেজে  নেমে  টোটোতে  বা  যন্ত্রচালিত  ভ্যানে  এই  গ্রামে  যাওয়া  যায়।  গ্রামে  ঢোকার  আগে  কালিকাপুর  রাখালদাস  স্মৃতি  বিদ্যালয়  পেরিয়ে  একই  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত  পাশাপাশি  অবস্থিত  এই  দুটি  মন্দির  চোখে  পড়বে। 

            উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত,  দক্ষিণমুখী  মন্দিরদুটি  দেউল  শৈলীর।  ডান  দিকের  মন্দিরের  শিবের  নাম  হংসেশ্বর  ও  বাঁ  দিকের  মন্দিরে  শিবের  নাম  পরমেশ্বর।  মন্দির  দুটির  সামনের  দেওয়াল  টেরাকোটা  অলংকরণে  অলংকৃত।  টেরাকোটার  বিষয় :  রাজদরবারে  রামসীতা,  দশাবতার  মূর্তি,  সৈন্যদলের  কুচকাওয়াজ,  মুখমণ্ডলের  সারি,  কালী,  শিব,  সামাজিক  চিত্র,  মৃত্যুলতা  ইত্যাদি।  প্রতিষ্ঠাকাল :  ১৭৬১  শকাব্দ  (  ১৮৩৯  খ্রীষ্টাব্দ   )  বা  ১২৪৬  বঙ্গাব্দ।  প্রতিষ্ঠা  করেন  স্থানীয়  জমিদার  পরমেশ্বর  রায়। 


জোড়া শিব মন্দির 

ডান দিকের ( হংসেশ্বের শিব ) মন্দিরের সামনের বিন্যাস 

হংসেশ্বের শিব মন্দিরের খিলানের উপরের কাজ 

রাজ দরবারে রামসীতা ও অন্য চিত্র 

রাজ দরবারে রামসীতা

দশাবতারের চার অবতার 

মুখমণ্ডলের সারি 

একটি 'টেরাকোটা' চিত্র 

বাঁ দিকের ভিত্তিবেদি সংলগ্ন কাজ 

বড় করে 

ডান দিকের ভিত্তিবেদি সংলগ্ন কাজ

বড় করে

কুলুঙ্গির কাজ - ১

কুলুঙ্গির কাজ - ২

কুলুঙ্গির কাজ - ৩

কুলুঙ্গির কাজ - ৪

কুলুঙ্গির কাজ - ৫

হংসেশ্বর শিব মন্দিরের মৃত্যুলতা - ১

হংসেশ্বর শিব মন্দিরের মৃত্যুলতা - ২

হংসেশ্বর শিবমন্দিরের প্রতিষ্ঠাফলক 

পরমেশ্বর শিব মন্দিরের সামনের বিন্যাস 

পরমেশ্বর শিব মন্দিরের খিলানের উপরের কাজ 

শিবের সংগীত আসর  
 

বড় করে 

'টেরাকোটা' চিত্র - ২

টেরাকোটা' চিত্র - ৩

টেরাকোটা' চিত্র - ৪

কুলুঙ্গির কাজ - ১

কুলুঙ্গির কাজ - ২

পরমেশ্বর শিব মন্দিরের মৃত্যুলতা - ১

পরমেশ্বর শিব মন্দিরের মৃত্যুলতা - ২

পরমেশ্বর শিব মন্দিরের মৃত্যুলতা - ৩

পরমেশ্বর শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠাফলক 


               মন্দিরটি  পরিদর্শনের  তারিখ :  ১৩.১২.২০১৯ 


                 --------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।



প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।