তিনটি শিব মন্দির, মুদিপাড়া, দুবরাজপুর, বীরভূম
শ্যামল কুমার ঘোষ
বীরভূম জেলার সিউড়ি সদর মহকুমা ও দুবরাজপুর ব্লকের অন্তর্গত দুবরাজপুর একটি পৌর শহর। শহরের দক্ষিণ প্রান্তে 'মামা ভাগনে পাহাড় ' এখানকার একটি দর্শনীয় স্থান।
দুবরাজপুরে অনেকগুলি ইঁটের তৈরি মন্দির আছে, বিশেষ করে কয়েকটি তেররত্ন মন্দির। আজ এখানে মুদিপাড়ার তিনটি মন্দির নিয়ে আলোচনা করবো।
মুদিপাড়ায় উঁচু এবং একই ভিত্তিভূমির উপর পাশাপাশি অবস্থিত, দক্ষিণমুখী তিনটি শিব মন্দির বর্তমান। দুপাশে অবস্থিত দুটি দেউলের মাঝখানে একটি তেররত্ন মন্দির দণ্ডায়মান। প্রতিটি মন্দিরের একটি করে প্রবেশদ্বার, সামনে। মন্দির তিনটির সংস্কার করা হয়েছে। সংস্কারের সময় টেরাকোটার গায়ে সোনালী রং করা হয়েছে। তিনটি শিবমন্দিরে তিনটি শিবলিঙ্গ নিত্যপূজিত।
 |
| তিনটি শিব মন্দির ( সামনে থেকে তোলা ) |
 |
তিনটি শিব মন্দির ( পাশ থেকে তোলা )
|
 |
| সোনালী টেরাকোটা - ১ |
 |
| সোনালী টেরাকোটা - ২ |
 |
| সোনালী টেরাকোটা - ৩ |
কলকাতা থেকে কী ভাবে যাবেন ? কলকাতা থেকে ট্রেনে বোলপুর-শান্তিনিকেতন। বোলপুরের জামবুনি বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে উঠে দুবরাজপুরের পাওয়ার হাউস স্টপেজে নামুন। সেখান থেকে টোটোতে মন্দির।
সহায়ক গ্রন্থ :
১) বীরভূম জেলার পুরাকীর্তি : দেবকুমার চক্রবর্তী
-----------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন। আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না। অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।
বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা।
রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।
বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন : 9038130757 এই নম্বরে।
কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।