বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬

Buro Shib Temple, Harirampur Jangipara, Hooghly

বুড়ো  শিব  মন্দির,  হরিরামপুর  শিবতলা,  হুগলি

                                                               শ্যামল  কুমার  ঘোষ 
       
            হাওড়া-তারকেশ্বর  রেলপথে  হরিপাল  ১৬ তম   রেলস্টেশন।  রেলপথে  হাওড়া  থেকে  দূরত্ব  ৪৫  কিমি।  হরিপাল  স্টেশন  থেকে  হরিপাল-জাঙ্গিপাড়া-জগৎবল্লভপুর  রাস্তায়  উপর,   জাঙ্গিপাড়া  ব্লকের  অন্তর্গত  কোতলপুর  অঞ্চল  পঞ্চায়েত  এলাকায়  অবস্থিত  একটি  গ্রাম  মোহনবাটি।  এই  গ্রাম  থেকে  দুই  কিমি  দূরের  একটি  গ্রাম  হরিরামপুর।  এখানে  শিবতলায়  উনিশ  শতকে  নির্মিত  একটি  শিবমন্দির  অবস্থিত।  মন্দিরটি  বুড়ো  শিবের  মন্দির  নামে  পরিচিত। 

            মন্দিরটি  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  প্রতিষ্ঠিত,  পশ্চিমমুখী,  একদ্বারবিশিষ্ট,  আটচালা  শৈলীর।  মন্দিরে  কোন  ঢাকা  বারান্দা  নেই।  মন্দিরের  সামনের  দেওয়াল  টেরাকোটা  অলংকরণে  অলংকৃত।  যদিও  সেই  টেরাকোটার  অনেক  ফলক  নষ্ট  হয়ে  গেছে।  যা  অবশিষ্ট  আছে  তাও  সংস্কারের  সময়  রঙের  প্রলেপ  দেওয়ায়  অনেকটাই  ম্লান।  গর্ভগৃহের  সামনে  পত্রাকৃতি  খিলান।   খিলানের  উপরে  চোদ্দটি  আটচালা  প্রতীক  মন্দির।  তার  মধ্যে  পর্যায়ক্রমে  শিবলিঙ্গ  ও  বিভিন্ন  মূর্তি।  তার  উপরে  রামরাবণের  যুদ্ধ।  এছাড়া  কুলুঙ্গির  মধ্যে  বিভিন্ন  মূর্তি  আছে।  এর  মধ্যে  উল্লেখযোগ্য  একটি  দশভুজা  মূর্তি।  


শিব মন্দির

মন্দিরের  সামনের  বিন্যাস 

খিলানের  উপরের  কাজ

রাম-রাবণের  যুদ্ধ 

কুলুঙ্গির  মধ্যে  বিভিন্ন  মূর্তি - ১

কুলুঙ্গির  মধ্যে  বিভিন্ন  মূর্তি - ২

দশভুজা  মূর্তি  

            
এই  মন্দিরের  কাছেই  বকশি  পাড়ায়  ( সারদাময়ী  প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের  কাছে )  একটি  ভাঙা  শিবমন্দির  এখনও  আছে।  মন্দিরটির  প্রতিষ্ঠাকাল  অষ্টাদশ  শতাব্দীর  প্রথম  দিকে। 
 উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  প্রতিষ্ঠিত,  পশ্চিমমুখী  মন্দিরটির  সামনের  দেওয়াল  টেরাকোটার  অলংকারযুক্ত।  কিন্তু  সেই  'টেরাকোটা'র সামান্যই  অবশিষ্ট  আছে।  মন্দিরের  গর্ভগৃহের  সামনে  পত্রাকৃতি  খিলান।  খিলানের  উপরে  যুদ্ধের  দৃশ্য ( সম্ভবত  রাম-রাবণের  যুদ্ধ )।  দরজার  দুপাশে  দুটি  স্তম্ভ।  এছাড়া  প্রচুর  নকশাও  আছ।  গর্ভগৃহে  শিবলিঙ্গ  এখনও  পূজিত  হন।


ভগ্ন  শিবমন্দির 

মন্দিরের  সামনের  বিন্যাস - ১

মন্দিরের  সামনের  বিন্যাস - ২

মন্দিরের  খিলান 

মন্দিরের  কোনাচ 

মন্দিরের  টেরাকোটার  কাজ - ১

মন্দিরের  টেরাকোটার  কাজ - ২

মন্দিরের  টেরাকোটার  কাজ - ৩

মন্দিরের  এক  দিকের  স্তম্ভ 

অন্য   দিকের  স্তম্ভ 

প্রতিষ্ঠাফলক

রাম-রাবণের  যুদ্ধ ( আংশিক )

কী  ভাবে  যাবেন  ?
            
হরিরাম
পুরের  উপরোক্ত  মন্দিরদুটিতে  যেতে  হলে  হাওড়া  থেকে  তারকেশ্বর  লোকালে  উঠুন।  নামুন  হরিপাল  স্টেশনে।  স্টেশনের  পাশ  থেকে  জগৎবল্লভপুর / বড়গাছিয়া  গামী  বাসে  উঠুন।  যদি  এই  বাস  না  পান  তবে  জাঙ্গিপাড়া  থানা  গামী  ট্রেকারে  উঠুন।  জাঙ্গিপাড়া  থানা  থেকে  বাস  বা  'ম্যাজিক'  গাড়িতে  উঠুন।  নামুন  মোহনবাটি।  সেখান  থেকে  হেঁটে  মন্দির।  অনেকটা  হাঁটতে  হবে।  প্রথমে  গ্রাম  পড়বে  চাঁকপুর।  তারপর  হরিরামপুর।  এখানে  পালপাড়ায়  আর  একটি  আটচালা  শিবমন্দির  আছে।  সেটাও   দেখে  নিতে  পারেন।

            মন্দিরদুটি  পরিদর্শনের  তারিখ :  ১৬.১২.২০১৬ 
  
     সহায়ক  গ্রন্থ :

                     ১)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য  

      ---------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। 

বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।



প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৬

Anandamayi Kali Temple, Kalitala, Jangipara-Krishnanagar Hooghly

শ্রীশ্রী আনন্দময়ী  কালী  মন্দির,  কৃষ্ণনগর  কালীতলা,  হুগলি  
           শ্যামল  কুমার  ঘোষ 

                হাওড়া-তারকেশ্বর  রেলপথে  হরিপাল  ১৬ তম   রেলস্টেশন।  রেলপথে  হাওড়া  থেকে  দূরত্ব  ৪৫  কিমি।  হরিপাল  স্টেশন  থেকে  হরিপাল-জাঙ্গিপাড়া-জগৎবল্লভপুর  রাস্তায়,  জাঙ্গিপাড়া  ব্লকের  একটি  গ্রাম  বাহিরগড়।

                বাহিরগড়ে  দামোদর  মন্দির  ও  সিংহরায়দের  শিবমন্দির  দেখে  চলুন  কৃষ্ণনগর  কালীতলায়  আনন্দময়ী  কালী  দেখতে। আনন্দময়ী  কালী  এই  অঞ্চলের  খুবই  জাগ্রত  দেবী।  কৃষ্ণ  পাথরে  তৈরি  খুবই  সুন্দর  মূর্তি।  বহু  প্রাচীন  মূর্তিটি  একটি  নতুন  তৈরি  দালান  মন্দিরে  প্রতিষ্ঠিত  ও  নিত্য  পূজিত।  দেবীর  সামনে  পঞ্চানন্দ,  কালী,  শীতলা  ও  মনসার  চারটি  ঘট  আছে।  পুরানো  মন্দিরে  মূর্তিটি  প্রতিষ্ঠা  করেছিলেন  কৈলাশ  মুখার্জি।  বর্তমানে  নীলকান্ত,  তারাকদাস  ও  হারাধন  ভট্টাচার্য  তিন  ভাই  মন্দিরের  সেবায়েত।  তাঁরাই  পালাক্রমে  পূজা  করে  থাকেন। 


আনন্দময়ী  কালী  মন্দির,  কৃষ্ণনগর 

আনন্দময়ী  কালী  মাতা - ১

আনন্দময়ী  কালী  মাতা - ২




  সহায়ক  গ্রন্থাবলী :
        ১)  হুগলি  জেলার  ইতিহাস  ও  বঙ্গসমাজ ( ৩ য়  খণ্ড ) :  সুধীর  কুমার  মিত্র 
       ২)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য 

                                    ********
 
            পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য কালী মন্দির সম্বন্ধে জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন / লিংকের উপর আঙুল দিয়ে টোকা দিন :
 

----------------------------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।



 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।



Shib Temple, Bahirgarh, Hooghly


শিব  মন্দির,  বাহিরগড়,  হুগলি

শ্যামল  কুমার  ঘোষ

            হাওড়া-তারকেশ্বর  রেলপথে  হরিপাল  ১৬ তম   রেলস্টেশন।  রেলপথে  হাওড়া  থেকে  দূরত্ব  ৪৫  কিমি।  হরিপাল  স্টেশন  থেকে  হরিপাল-জাঙ্গিপাড়া-জগৎবল্লভপুর  রাস্তায়,  জাঙ্গিপাড়া  ব্লকের  একটি  গ্রাম  বাহিরগড়। 

            জাঙ্গিপাড়া-কৃষ্ণনগরের  অন্তর্ভুক্ত  গ্রাম  বাহিরগড়।  এই  অঞ্চল  সিংহরায়  বংশের  গড়বেষ্টিত  বাড়ির  বহির্ভাগে  অবস্থিত  বলে  ইহা  বাহিরগড়  নামে  খ্যাত  হয়।  প্রাচীনকালে  বারো  বিঘা  জমির  উপর  সিংহরায়  বংশের  প্রাসাদতুল্য  বাড়ি  ছিল।  বর্তমানে  তার  কিছুই  অবশিষ্ট  নেই।  অষ্টাদশ  শতাব্দীর  প্রথমে  রাজপূত-ক্ষত্রিয়  সিংহরায়  বংশ  মুসলমানদের  অত্যাচারে  দেশ  ত্যাগ  করে  বাংলায়  আসেন  এবং  ধীরে  ধীরে  জমিদারি  অর্জন  করে  প্রতিষ্ঠা  লাভ  করেন।  এই  সিংহরায়রা  বারাণসীর  কাছে  জৌনপুর  জেলার  কেশব  হাজারী  এবং  তাঁর  জ্যেষ্ঠ  পুত্র  রাজা  বিষ্ণুদাসের  বংশধরত্ব  দাবি  করে।  কেশবের  কনিষ্ঠ  পুত্র  রাজা  ভারামল্ল  তারকেশ্বরের  নিকট  রামনগরে  এসে  বাস  করেন। 

            বাহিরগড়ে  অবস্থিত  টেরাকোটা  অলংকারযুক্ত  দামোদর  মন্দিরের  বিবরণ  আগেই  দিয়েছি।  মন্দিরটি  সম্বন্ধে  জানতে  ক্লিক  করুন : দামোদর  মন্দির,  বাহিরগড়   বাহিরগড়ে  অমরেন্দ্রনাথ  সিংহরায়  প্রতিষ্ঠিত  একটি  শিবমন্দির  আছে।  শিবলিঙ্গের  নাম  বিশ্বেশ্বর।  মন্দিরটি  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  প্রতিষ্ঠিত,  পশ্চিমমুখী,  একদ্বারবিশিষ্ট,  আটচালা  শৈলীর।  সামনে  টিনের  ছাউনি।  কয়েকবার  সংস্কৃত  মন্দিরটির  প্রতিষ্ঠাকাল  ১১২৬  বঙ্গাব্দ।  মন্দিরটির  সামনের  দিক  আগে  টেরাকোটা  অলংকরণে  অলংকৃত  ছিল।  কিন্তু  বর্তমানে  তার  কিছুই  অবশিষ্ট  নেই।  গর্ভগৃহে  কাল  পাথরের  শিবলিঙ্গ  প্রতিষ্ঠিত  ও  নিত্য  পূজিত।  শিবলিঙ্গটি  প্রচলিত  শিবলিঙ্গের  মত  নয়,  অন্য  রকমের।

            মন্দিরটি  পরিদর্শনের  তারিখ :  ১৬.১২.২০১৬ 

অমরেন্দ্রনাথ  সিংহরায়  প্রতিষ্ঠিত  শিবমন্দির

শিবলিঙ্গ

            বাহিরগড়ের  শিবমন্দিরে 
 যেতে  হলে  হাওড়া  থেকে  তারকেশ্বর  লোকালে  উঠুন।  নামুন  হরিপাল  স্টেশনে।  স্টেশনের  পাশ  থেকে  জগৎবল্লভপুর / বড়গাছিয়া  গামী  বাস  বা  ট্রেকারে  উঠুন।  যদি  তা  না  পান  তবে  জাঙ্গিপাড়া  থানা  গামী  ট্রেকারে  উঠুন।  জাঙ্গিপাড়া  থানা  থেকে  বাস  বা  'ম্যাজিক'  গাড়িতে  উঠে  পৌঁছে  যান  বাহিরগড়।  সেখান  থেকে  হেঁটে  মন্দির।  খাবার  সঙ্গে  নেবেন।

            শিবমন্দির  দেখে  চলুন  কৃষ্ণনগর  কালীতলায়  আনন্দময়ী  কালী  মন্দির  দেখতে।      

  সহায়ক  গ্রন্থাবলী :
                   ১)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য  

----------------------------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।



 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।