Kali Temples of West Bengal

পশ্চিমবঙ্গের  কালী  মন্দির 

                        শ্যামল  কুমার  ঘোষ 


              দক্ষযজ্ঞে  অনাহূতা  উমা ( সতী )  পিতৃগৃহে  যাওয়ার  বায়না  করলে  শিব  তাঁকে  তা  থেকে  নিবারণ  করার  চেষ্টা  করলেন।  বহু  বাদ  প্রতিবাদের  পরেও  শিব  তাঁকে  যেতে  দিতে  অসম্মত  হলে  সতী  দশদিকে  ব্যাপ্ত  বিনাশকারী  ও  করুনার  প্রতিমূর্তি  হিসাবে  দশটি  ভয়াল  রূপ  প্রকট  করে  শিবকে  আশ্বস্ত  করেন।  উমার  এই  দশটি  রূপ  দশমহাবিদ্যা  নামে  পরিচিত।  দশমহাবিদ্যার  এই  দশটি  রূপ  হল :  কালী,  তারা,  ষোড়শী,  ভৈরবী,  ভুবনেশ্বরী,  ছিন্নমস্তা,  ধূমাবতী,  বগলা,  মাতঙ্গী  ও  কমলা।  কালী  দশমহাবিদ্যার  প্রথম  দেবী।

            পুরাণ  ও  তন্ত্র  সাহিত্যে  কালীর  বিভিন্ন  রূপের  পরিচয়  পাওয়া  যায়।  দক্ষিণাকালী,  মহাকালী,  শ্মশানকালী,  গুহ্যকালী,  ভদ্রকালী,  সিদ্ধকালী,  আদ্যকালী,  চামুণ্ডাকালী।  আবার  বিভিন্ন  মন্দিরে  ব্রহ্মময়ী,  ভবতারিণী,  আনন্দময়ী,  প্রসন্নময়ী,  করুণাময়ী  প্রভৃতি  নামেও  কালীমূর্তি  পূজা  করা  হয়।  এই  সব  রূপের  মধ্যে  দক্ষিণাকালী  মূর্তিই  বেশি  প্রচিলিত  ও  পূজিত।  

       
কৃপাময়ী কালী, বামনদাস কালী বাড়ি, কলকাতা 

 

              যে  নিদ্দিষ্ট  মন্দিরটি  সম্বন্ধে  জানতে  চান  সেই  
নিদ্দিষ্ট  মন্দিরের  লেখার  উপর  ক্লিক করুন / লিংকের উপর আঙুল দিয়ে টোকা দিন :  
















 










   



                            -------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'  



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।


৪টি মন্তব্য: