Temples of Hooghly লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Temples of Hooghly লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১

Bishalakshi Temple, Bikrampur, Parul, Arambagh, Hooghly


 বিশালাক্ষী  মন্দির,  বিক্রমপুর,  পারুল,  

আরামবাগ,  হুগলি 


শ্যামল  কুমার  ঘোষ

            রেলপথে  হাওড়া  থেকে  আরামবাগের  দূরত্ব  ৮২ কিমি।  ট্রেনে  সময়  লাগে  ২  ঘন্টা।  আরামবাগ  মহকুমার  অধীন  একটি  গ্রাম  পারুল।  স্টেশন  থেকে  অটো  বা  টোটোতে  সহজেই  পারুল  যাওয়া  যায়।  কলকাতা  থেকে  বাসেও  এখানে  যেতে  পারেন।  বাসে  গেলে  পারুল  স্টপেজে  নামতে  হবে।  পারুলে  দুটি  মন্দির  আছে।রঘুনন্দন  ও  বিশালাক্ষী।  বিশালাক্ষী  মন্দিরের  গায়ে  জায়গার  নাম  বিক্রমপুর  বলে  উল্লেখ  আছে।  রঘুনন্দন  মন্দিরের  বিবরণ  আগেই  দিয়েছি।  আলোচ্য  বিশালাক্ষী  মন্দিরের  বিবরণ  এখানে  দেব।  রঘুনন্দন  মন্দির  সম্বন্ধে  জানতে  নিচের  লিংকে  ক্লিক  করুন :

            বিশালাক্ষী  মন্দিরটি  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  প্রতিষ্ঠিত,  দক্ষিণমুখী  ও  আটচালা  শৈলীর।  মন্দিরে  আছে  তিনটি  খিলানযুক্ত  প্রবেশপথ।  নির্মাণকাল  ১৮৫৯  খ্রীষ্টাব্দ  ( ১৭৮১  শকাব্দ )  বা  ১২৬৬  বঙ্গাব্দ। ( এখানে  উল্লেখ্য,  শকাব্দ  +  ৭৮  =  খ্রীষ্টাব্দ  এবং   খ্রীষ্টাব্দ -  ৫৯৩  = বঙ্গাব্দ )।  মন্দিরে  একটি  ক্ষয়িষ্ণু  প্রতিষ্ঠাফলক  আছে।  মন্দিরের  সামনে  'টেরাকোটা'র  অলংকরণ  আছে।  তবে  বার  বার  রং  করার  ফলে  এই  'টেরাকোটা'  শ্রী  হারিয়েছে।  মন্দিরে টেরাকোটার  বিষয়বস্তু :  রামরাবণের  যুদ্ধ,  সপারিষদ  মহাপ্রভুর  সংকীর্তনের  দৃশ্য,  অনন্তশায়ী  বিষ্ণু,  সমুদ্র  মন্থন,  বিভিন্ন  দেবদেবীর  মূর্তি,  ছেলে  কাঁকে  মহিলা,  হুঁকা  সেবন  ইত্যাদি।  গর্ভগৃহের  প্রবেশদ্বারের  দুপাশে  আছে  দুটি  দ্বারপালের  মূর্তি।  গর্ভগৃহে  দেবী  বিশালাক্ষী  নিত্য  পূজিতা।মন্দিরের  সামনে  একটি  টিনের  চালের  নাটমন্দির  আছে।    

            এই  মন্দির  ও  নিকটস্থ  দীঘি  স্থানীয়  জমিদার  রণজিৎ  রায়ের  কীর্তি।  এই  মন্দির  নিয়ে  একটি  লোকশ্রুতি  প্রচলিত  আছে।  রণজিৎ  রায়েকে   দেবী  বিশালাক্ষী  প্রতিশ্রুতি  দেন  যে  তিনি  তাঁর  কন্যা  হয়ে  জন্মাবেন  কিন্তু  যদি  কোনদিন  তাঁকে  চলে  যেতে  বলা  হয়  তবে  তিনি  তৎক্ষণাৎ  চলে  যাবেন।  একদিন  বারুণী  উৎসবের  দিন  কন্যারূপী  দেবী  রণজিৎ  রায়ের  কাছ  থেকে  স্নানে  যাওয়ার  অনুমতি  চান।  অন্যমনস্কভাবে  তিনি  অনুমতি  দেন।  অতঃপর  দেবী  চিরকালের  জন্য  ওই  দীঘির  জলে  বিলীন  হয়ে  যান।

            মন্দিরটি  পরিদর্শনের  তারিখ :  ১১.১১.২০১৭ 

বিশালাক্ষী মন্দির, বিক্রমপুর, পারুল, হুগলি

নাটমন্দিরসহ বিশালাক্ষী মন্দির, বিক্রমপুর, পারুল, হুগলি

মন্দিরের সামনের বিন্যাস 

বাঁ দিকের খিলানের উপরের কাজ 

মাঝের খিলানের উপরের কাজ

ডান দিকের খিলানের উপরের কাজ

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ১

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ২

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৩

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৪

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৫

প্রতিষ্ঠাফলক 

প্রবেশদ্বারের ডান দিকের দ্বারপাল 

মন্দিরের গর্ভগৃহ

মা বিশালাক্ষী 

    সহায়ক  গ্রন্থ : 
          ১)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য 

           -----------------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। 

বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।




 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৭

Kanakeshwar Shib Temple, Kanpur, Arambagh, Hooghly, West Bengal


কণকেশ্বর  শিবমন্দির,  কানপুর,  হুগলি 

শ্যামল  কুমার  ঘোষ

            আরামবাগ  থানা  ও  ব্লকের  অন্তর্গত  মাধবপুর  পঞ্চায়েত  এলাকায়  অবস্থিত  একটি  গ্রাম  কানপুর।  মায়াপুর  থেকে  এখানে  যাওয়া  যায়।  এখানকার  কনকেশ্বর  শিবমন্দির  বিখ্যাত।

            অনেক  বার  সংস্কৃত  মন্দিরটির  স্থাপত্যগত  কয়েকটি  বৈশিষ্ট  আছে।  এটি  অল্প  উঁচু  ভিত্তিবেদির  স্থাপিত,  পশ্চিমমুখী  ও  একরত্ন  বা  এক  শিখরবিশিষ্ট  মন্দির।  শিখরটি  রেখ  ধরনের,  উপরাংশ  গম্বুজাকার। গর্ভগৃহের  সামনে  চারটি  খিলান  ও  দক্ষিণ  দিকে  তিনটি  খিলান  বিশিষ্ট  বারান্দা।  বারান্দার  ছাদ  আটচালা  বা  চারচালা  মন্দিরের  ছাদের  মতো  কিছুটা  অবতলিত  ও  বক্র  কার্নিসযুক্ত।  মন্দিরটি  উনিশ  শতকে  নির্মিত।  গর্ভগৃহে  কনকেশ্বর  শিব  নিত্য  পূজিত।  এই  শিব  স্বয়ম্ভু।   

            অনেক  আগে  এখানে  কঙ্কাবতী  নদী  বয়ে  যেত।  তার  চড়ে  কনক  সেন  কনকেশ্বর  শিবের  মন্দির  প্রতিষ্ঠা  করেন।  মন্দিরের  বর্তমান  সেবায়েত  আশিস  বন্দোপাধ্যায়।  চৈত্র  মাসে  শিবের  গাজন  উপলক্ষ্যে  এখানে  মেলা  বসে  তাতে  প্রচুর  লোকের  সমাগম  হয়।  মন্দিরটি  পশ্চিমবঙ্গ  সরকার  কর্তৃক  সংরক্ষিত। 


কনকেশ্বর  শিবমন্দির

মন্দিরের  সামনের  বিন্যাস 
মন্দিরের  শিখর 

মন্দিরের  সামনের  চারটি  খিলান 

একটি  স্তম্ভের  কাজ 

গর্ভগৃহের  স্বয়ম্ভু  শিব 
  

সহায়ক  গ্রন্থ : 
          ১)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য 

               ---------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।


                

শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৭

Raghunandan Temple, Parul, Arambagh, hooghly District, West Bengal


শ্রীশ্রী রঘুনন্দন  মন্দির,  পারুল,  আরামবাগ,  হুগলি 

শ্যামল  কুমার  ঘোষ

            রেলপথে  হাওড়া  থেকে  আরামবাগের  দূরত্ব  ৮২ কিমি।  ট্রেনে  সময়  লাগে  ২  ঘন্টা।  আরামবাগ  মহকুমার  অধীন  একটি  গ্রাম  পারুল।  স্টেশন  থেকে  অটো  বা  টোটোতে  সহজেই  পারুল  যাওয়া  যায়।  কলকাতা  থেকে  বাসেও  এখানে  যেতে  পারেন।  বাসে  গেলে  পারুল  স্টপেজে  নামতে  হবে।  পারুলে  দুটি মন্দির আছে।রঘুনন্দন  ও  বিশালাক্ষী।  আলোচ্য  রঘুনন্দন  মন্দিরটি  স্থানীয়  চক্রবর্তী  বংশ  কর্তৃক  প্রতিষ্ঠিত।  দৈর্ঘে  ৭ মি,  প্রস্থে  ৬ মি।  নির্মাণকাল  প্রতিষ্ঠাফলক  অনুযায়ী  ১৬৯৫  শকাব্দ  অর্থাৎ  ১৭৭৩ খ্রিষ্টাব্দ।  ( মন্দিরে  একটি  প্রতিষ্ঠাফলক  আছে। )  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য  লিখিত  'হুগলী  জেলার  পুরাকীর্তি'  গ্রন্থে  নির্মাণকাল  ১৭৬৮  খ্রিষ্টাব্দ  বলে  উল্লেখ  আছে।  DAVID  J.  McCUTTCHION  তাঁর  'Late  Mediaeval  Temples  of  Bengal'  গ্রন্থে  ১৭৬৮  খ্রিষ্টাব্দ  বলে  উল্লেখ  করলেও  সঙ্গে  একটি  জিজ্ঞাসা  চিহ্ন  যোগ  করেছেন।  

            মন্দিরটি  উচ্চ  ভিত্তিবেদির  উপর  প্রতিষ্ঠিত, পূর্বমুখী,   ত্রিখিলান  প্রবেশপথযুক্ত  ও  আটচালা  শৈলীর।  মন্দিরের  সামনে  অলিন্দ।  মন্দিরের  সামনের দেওয়াল  'টেরাকোটা'  অলংকারে  অলংকৃত।  টেরাকোটার  বিষয়বস্তু :  রামরাবণের  যুদ্ধ,  কৃষ্ণলীলা,  দেবদেবী,  সঙ্গিনীসহ  পুরুষ,  নৌকা  বিলাস,  বন্দুক  হাতে  সাহেব,  নাচের  ভঙ্গিমা  ইত্যাদি।  গর্ভগৃহে  ঢোকার  একটিই  দরজা।  গর্ভগৃহে  শ্রীশ্রী রঘুনন্দন ( নারায়ণ  শিলা )  নিত্যপূজিত।


রঘুনন্দন  মন্দির,  পারুল,  আরামবাগ

মন্দিরের  সামনের  বিন্যাস

মন্দিরের  ত্রিখিলান  বিন্যাস

বাঁ  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ 

বাঁ  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ ( বড়  করে )

মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ

মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ ( বড়  করে )

ডান  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ

ডান  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ  ( বড়  করে )

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১


ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১ক

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১খ

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ২

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - 3

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪ক 

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪খ 

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪গ 

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪ঘ 

একটি  পূর্ণস্থম্ভে  মহিষমর্দিনী  মূর্তি 

পূর্ণস্থম্ভের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১

পূর্ণস্থম্ভের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ২

পূর্ণস্থম্ভের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৩

পূর্ণস্থম্ভের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪

পূর্ণস্থম্ভের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৫

প্রান্তবর্তী  অংশের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১

প্রান্তবর্তী  অংশের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ২

প্রান্তবর্তী  অংশের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৩

প্রান্তবর্তী  অংশের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪

প্রান্তবর্তী  অংশের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৫

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ২

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৩

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৫

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৬

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৭

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৮

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৯

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১০

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১১

কুলুঙ্গির  মধ্যের  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১২

প্রতিষ্ঠাফলক 

মন্দিরের  শিখর

শ্রীশ্রী রঘুনন্দন ( নারায়ণ  শিলা )


সহায়ক  গ্রন্থ : 
          ১)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য 

               ---------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।





 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।