Terracotta Temples of Hooghly লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Terracotta Temples of Hooghly লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮

Lakshmi Janardan Temple, Kankrakuli, Dhaniakhali, Hooghly District, West Bengal


লক্ষ্মীজনার্দন  মন্দির,  কাঁকড়াকুলি,  হুগলি

শ্যামল  কুমার  ঘোষ  

            ধনিয়াখালি  থানা  ও  ব্লকের  অন্তর্গত  সোমসপুর - ২ নং  পঞ্চায়েত  এলাকার  অধীন  একটি  গ্রাম  কাঁকড়াকুলি  বা  কাঁকড়াখুলি।  দামোদরের  একটি  শাখা  এই  গ্রামের  উপর  দিয়ে  গেছে। 

            এই  গ্রামে  অনেকগুলি  মন্দির  আছে।  তাদের  মধ্যে  সবচেয়ে  উল্লেখযোগ্য  চন্দ্রশেখর  কর  প্রতিষ্ঠিত  লক্ষ্মীজনার্দন  মন্দির।  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত,  ত্রিখিলান  প্রবেশপথবিশিষ্ট  ও  পূর্বমুখী  মন্দিরটি  বাংলা  আটচালা  শৈলীর।  গর্ভগৃহের  সামনে  অলিন্দ।  আগে  মন্দিরের  গর্ভগৃহে  ঢোকার  দুটি  দরজা  ছিল।  একটি  সামনে  অর্থাৎ  পূর্ব  দিকে  এবং  অপরটি  দক্ষিণ  দিকে।  এখন  সামনের  দরজাটি  বন্ধ  করে  জানলায়  পরিবর্তন  করা  হয়েছে।  দক্ষিণ  দিকের  দরজাটি  বর্তমানে  গর্ভগৃহে  ঢোকার  জন্য  ব্যবহার  করা  হয়।  মন্দিরের  সামনের  দিকের  দেওয়াল  'টেরাকোটা  অলংকরণে  অলংকৃত।  অলিন্দের  খিলানের  উপরও   টেরাকোটার  কাজ  আছে।  টেরাকোটা  অলংকরণের  অনেক  ফলক  এখন  নষ্ট  হয়ে  গেছে।  মন্দিরের  নির্মাণকাল  ১৬৫৫  শকাব্দ  অর্থাৎ  ১৭৩৩  খ্রিষ্টাব্দ।  মন্দিরে  একটি  প্রতিষ্ঠাফলক  আছে।  গর্ভগৃহে  শ্রীধর,  লক্ষ্মীজনার্দন  ও  সীতারাম  নামক  তিনটি  নারায়ণ  শিলা  নিত্য  পূজিত।  শ্রীধর  নামক  নারায়ণ  শিলাটি  করদের  দৌহিত্র  মিত্রবংশের  গৃহদেবতা।  সীতারাম  নামক  নারায়ণ  শিলাটি  বর্তমানে  ধ্বংসপ্রাপ্ত  সীতারাম  মন্দিরের।  মন্দিরটি  বর্তমানে  দেখাশোনা  করেন  কর  ও  তাঁদের  দৌহিত্র  মিত্রবংশের  লোকজন। 

            মন্দিরটির  পরিদর্শনের  তারিখ : ১৭.০১.২০১৮ 

লক্ষ্মীজনার্দন  মন্দির,  কাঁকড়াকুলি 

মন্দিরের  সামনের  বিন্যাস 

মন্দিরের  ত্রিখিলান  বিন্যাস 

বাঁ  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ 

মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ 

ডান  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ 

মন্দিরের  এক  দিকের  কোনাচ

অপর  দিকের  কোনাচ

অপর  দিকের  কোনাচ ( বড়  করে )

অপর  দিকের  কোনাচ ( বড়  করে )

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ২

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৩

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৪

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৪ ( বড়  করে )

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৫

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৬

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৭

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৮

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৯

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১০

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১১

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১২

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  কাজ 

গর্ভগৃহের  খিলানের  উপরের  কাজ 

প্রতিষ্ঠাফলক 

            গ্রামে  একটি  ছয়কোনা  রাসমঞ্চ   আছে।  সামান্য  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত  রাসমঞ্চটি  পঞ্চশিখর  বিশিষ্ট।  কেদ্রীয়  চূড়াটি  উঁচু।  প্রতিটি  শিখরের  উপরিভাগ  রেখদেউল  ধরণের  আড়াআড়িভাবে  খাঁজকাটা।  বর্তমানে  চারদিকে  দেওয়াল  তুলে  সেটি  মন্দিরে  পরিণত  করা  হয়েছে। 


পূর্বের  রাসমঞ্চ 

 সহায়ক  গ্রন্থ : 
          ১)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য 

                --------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।





প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৮

Raghunath temple, Pursurah, Arambagh, Hooghly District, West Bengal


রঘুনাথ  মন্দির,  পুরশুড়া,  আরামবাগ,  হুগলি

শ্যামল  কুমার  ঘোষ  

            
            আরামবাগ  মহকুমার  পুড়শুড়া  থানা  ও  ব্লকের  অন্তর্গত  একটি  গ্রাম  পুড়শুড়া।  আরামবাগ  ও  তারকেশ্বর  থেকে  বাসে  এখানে  যাওয়া  যায়।  

            এই  গ্রামের   আটচালা  রঘুনাথ  মন্দির  স্থানীয়  ঘোষ  বংশ  কর্তৃক  প্রতিষ্ঠিত।  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য  লিখিত  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি  গ্রন্থে  মন্দিরটি  সিংহ  বংশ  কর্তৃক  প্রতিষ্ঠিত  বলে  উল্লেখ  করা  হয়েছে।  মন্দিরটি  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত,  দক্ষিণমুখী  ও  ত্রিখিলান  প্রবেশপথযুক্ত।  গর্ভগৃহের  সামনে  অলিন্দ।  গর্ভগৃহে  ঢোকার  দুটি  দরজা।  একটি  সামনে  অর্থাৎ  দক্ষিণ  দিকে  এবং  অপরটি  পশ্চিম  দিকে।  মন্দিরের  নির্মাণকাল  ১৬৭৫  শকাব্দ  অর্থাৎ  ১৭৫৩  খ্রিষ্টাব্দ।  মন্দিরে  একটি  প্রতিষ্ঠাফলক  আছে।  মন্দিরের  সামনের  দেওয়াল  টেরাকোটা  অলংকরণে  অলংকৃত।  গর্ভগৃহে  শ্রীশ্রী রঘুনন্দন ( নারায়ণ  শিলা )  নিত্য  পূজিত।

            মন্দিরটির  অবস্থা  খুবই  সঙ্গিন।  গর্ভগৃহের  ছাদ  ফেটে  ফাঁক  হয়ে  গেছে।  খুব  তাড়াতাড়ি  সংস্কার  না  করলে  আমরা  আর  একটি  টেরাকোটা  মন্দির  হারাবো।



রঘুনাথ  মন্দিরের  সামনের  ত্রিখিলান  বিন্যাস 
রঘুনাথ  মন্দির,  পুরশুড়া 

বাঁ  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ 

মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ 

মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ ( বড়  করে )

মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ ( বড়  করে )

ডান  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ

কুলুঙ্গির  মধ্যে  কাজ  ও  নকশা 

কুলুঙ্গির  মধ্যে  কাজ - ১

কুলুঙ্গির  মধ্যে  কাজ - ২

কুলুঙ্গির  মধ্যে  কাজ - ৩

কুলুঙ্গির  মধ্যে  কাজ  ও  প্রতিষ্ঠাফলক 

প্রতিষ্ঠাফলক 


           সহায়ক  গ্রন্থ : 
                 ১)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য
                        -----------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।





 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।
                

বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৮

Bishnu Temple, Kamarpukur, Goghat, Hooghly, West Bengal


বিষ্ণু  মন্দির,  কামারপুকুর,  হুগলি 

শ্যামল  কুমার  ঘোষ 


             গোঘাট  থানা  ও  ব্লকের  অন্তর্গত  গ্রাম  কামারপুকুর।  আরামবাগ  ও  তারকেশ্বর  থেকে  সহজেই  এখানে  যাওয়া  যায়।  শ্রীরামকৃষ্ণ  পরমহংসের  জন্মভূমির  আকর্ষণে  কামারপুকুরে  প্রতিদিন  বহু  লোকের  আগমন  হয়।  এখানে  অনেক  গুলি  মন্দির  আছে।  তার  মধ্যে  লাহা  পরিবার  কর্তৃক  প্রতিষ্ঠিত  বিষ্ণু  মন্দির  পুরাকীর্তির  দিক  থেকে  উল্লেখযোগ্য।  মন্দিরটি  উনিশ  শতকের শেষ  দিকে  নির্মিত।
 
             পূর্বে  গোস্বামী  বংশ  কামারপুকুরের  জমিদার  ছিলেন।  পরে  লাহাবাবুদের  হাতে  জমিদারি  চলে  আসে।  লাহাবংশের  সঙ্গে  শ্রীরামকৃষ্ণের  বাল্যলীলার  বহু  স্মৃতি  বিজড়িত  আছে।  ধর্মদাস  লাহার  সঙ্গে  ক্ষুদিরাম  চট্টোপাধ্যায়ের  বিশেষ  সৌহার্দ্য  ছিল।  ধর্মদাসের  অর্থ  সাহায্যে  গদাধরের  অন্নপ্রাসনে  ক্ষুদিরাম  চট্টোপাধ্যায়  গ্রামের  সকলকে  ভূরিভোজে  আপ্যায়িত  করেন।  লাহাবাবুদের  বংশধরগণ  এখন  বিষ্ণু  মন্দিরের  আশে  পাশে  আলাদা  আলাদা  বাড়ি  করে  বসবাস  করছেন। 

            লাহাদের  মন্দিরটি  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত,  ত্রিখিলান  প্রবেশপথযুক্ত,  দক্ষিণমুখী  ও  দালান  ধরনের।  গর্ভগৃহের  সামনে  অলিন্দ।  মন্দিরটির  উপরে  ও  নিচে  ঘর  আছে।  মন্দিরের  সামনের  দেওয়ালের  দু  ধারে  এবং  মাথার  উপর  এক  সারি  ফলকের  মধ্যে  কুড়িটি  টেরাকোটার  দেবদেবীর  মূর্তি  আছে।  মূর্তি  গুলি  হল :  রাম-সীতা,  ষড়ভুজ  গৌরাঙ্গ,  ভগীরথের  গঙ্গা  আনয়ন,  মা  ষষ্ঠী,  শালভঞ্জিকা,  রামভক্ত  হনুমান  ও   সিদ্ধিদাতা  গনেশ  ইত্যাদি।  মূর্তি  গুলির  কয়েকটি  এখন  নষ্ট  হয়ে  গেছে।  অলিন্দের  দেওয়ালে  কয়েকটি  হাতে  আঁকা   চিত্র  আছে।  গর্ভগৃহের  দরজার  দুপাশে  দুটি  মানুষের  মূর্তি  উল্লেখযোগ্য।  গর্ভগৃহে  শ্রীশ্রী  বিষ্ণু  ( নারায়ণ  শিলা )  নিত্য  পূজিত।  বাল্যকালে  গদাধর  ( শ্রীরামকৃষ্ণ )  পাঠশালায়  পড়তে  না  গিয়ে  এই  মন্দিরে  এসে  মা  কালীর  ছবি  আঁকতেন  ও  ধ্যান  করতেন।  এখানে  উল্লেখ্য,  বাল্যকালে  শ্রীরামকৃষ্ণ  যে  পাঠশালায়  পড়তেন  সেটি  এই  মন্দিরের  পাশেই  অবস্থিত। 

            মন্দিরটির  পরিদর্শনের  তারিখ : ৩০.১২.২০১৭ 
     


বিষ্ণু  মন্দির,  কামারপুকুর 

দধিমন্থন কালে শ্রীকৃষ্ণের দধিভান্ডে হস্ত প্রবেশ 

রাম-সীতা 

     ভগীরথের  গঙ্গা  আনয়ন 

      ষড়ভুজ  গৌরাঙ্গ  

দুই সখি  সহ  কৃষ্ণ 

ষষ্ঠী  ঠাকরুন 

শালভঞ্জিকা 

ঘোড়ায়  চড়ে  শিকার 
গনেশ  জননী 

রামভক্ত  হনুমান 

সঙ্গিনীসহ  পুরুষ 

শিবপুজো 

সিদ্ধিদাতা  গনেশ 

দেওয়াল  চিত্র 

গর্ভগৃহের  সামনে 

শ্রীশ্রী বিষ্ণু  ( নারায়ণ  শিলা )


 সহায়ক  গ্রন্থাবলী / সূত্র :        
১)  হুগলি  জেলার  ইতিহাস  ও  বঙ্গসমাজ ( ৩ য়  খণ্ড )   :  সুধীরকুমার  মিত্র
২)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য
৩)  মন্দিরে  লাগানো  ফলক                                                              

             ---------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। ববইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।





প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।