সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১

Ganesh Temple, Sutragarh, Santipur, Nadia

 

  গণেশ  মন্দির,  সূ ত্রাগড়,  শান্তিপুর,  নদিয়া 

                 শ্যামল  কুমার  ঘোষ 


            শান্তিপুর  পশ্চিমবঙ্গের  নদিয়া  জেলার  একটি  পৌর-শহর।  রেলপথে  কলকাতা  থেকে  শান্তিপুরের  দূরত্ব  ৯৩ কিমি।  শান্তিপুর  মন্দির,  বিভিন্ন  বিগ্রহ  বাড়ি  ও  রাসযাত্রার  জন্য  বিখ্যাত।

            শান্তিপুরের  সূত্রাগড়ে  অবস্থিত  গণেশ  মন্দিরটি  উল্লেখের  দাবি  রাখে।  অল্প  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত,  পূর্বমুখী  মন্দিরটি  মিশ্র  রীতির  এবং  ইঁট  দ্বারা  নির্মিত।  মন্দিরটি  একটি  সমতল  ছাদ  বিশিষ্ট  চাঁদনির   উপর  একটি  ছোট  চারচালা  এবং  চারচালার  উপর  একটি  শিখর  স্থাপিত।  শিখরটি  রেকধরণের  খাঁজকাটা।  মন্দিরের  তিনদিকে  ত্রিখিলান  প্রবেশপথ।  গর্ভগৃহে  ঢোকার  একটিই  প্রবেশদ্বার,  সামনে।  মন্দিরটি  ১৩১৬  বঙ্গাব্দের  ৪ ঠা  ভাদ্র  প্রতিষ্ঠিত  হয়।  প্রতিষ্ঠাতা  কার্তিকচন্দ্র  দাস।  মন্দিরে  একটি  শ্বেতপাথরের  প্রতিষ্ঠাফলক  আছে।  মন্দিরে  নকল  স্তম্ভের  গায়ে  সুন্দর  পঙ্খের কাজ  আছে। এরকম  নকশা-কাজ  অন্য  কোথাও  দেখিনি।  গর্ভগৃহে  গণেশ  ও  অন্যান্য  বিগ্রহ  নিত্য  পূজিত।

কী  ভাবে  যাবেন ?

            শান্তিপুরের  এই  মন্দিরে  যেতে  হলে  শিয়ালদহ  থেকে  শান্তিপুর  লোকাল  ধরুন ।  রেলপথে  শান্তিপুরের  দূরত্ব  ৯৩  কি. মি. ;  ট্রেনে  সময়  লাগে  আড়াই  ঘন্টা ।  স্টেশন  থেকে  অটোতে  পৌঁছে  যান  শান্তিপুরের  সূত্রাগড়ে  অবস্থিত  গণেশ  মন্দির ।


            মন্দিরটি  পরিদর্শনের  তারিখ :  ১২.০১.২০১৬  এবং  ১৭.১০.২০১৮

মন্দিরে পঙ্খের কাজ - ১

গণেশ মন্দির, শান্তিপুর 

মন্দিরের শিখর ( পিছন দিক থেকে তোলা )

মন্দিরে পঙ্খের কাজ - ২

মন্দিরে পঙ্খের কাজ - ৩

মন্দিরে পঙ্খের কাজ - ৪

মন্দিরে পঙ্খের কাজ - ৫

মন্দিরে পঙ্খের কাজ - ৬

গর্ভগৃহ 

গণেশ ও অন্যান্য বিগ্রহ 

বাহন সহ গণেশ বিগ্রহ

গণেশ বিগ্রহ
      
প্রতিষ্ঠাফলক
-------------------------------------------------------


অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।



প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন