পঞ্চমুখী শিব মন্দির, বরনগর, আজিমগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ
শ্যামল কুমার ঘোষ
মুর্শিদাবাদ জেলার বড়নগর ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরের একটি গ্রাম। এই গ্রামের ১ কিমি দূরের রেলস্টেশন আজিমগঞ্জ সিটি এবং ২ কিমি দূরের স্টেশন আজিমগঞ্জ জংশন। কলকাতা থেকে আজিমগঞ্জ জংশন ২১৯ কিমি। হাওড়া থেকে এক্সপ্রেস ট্রেনে গেলে আজিমগঞ্জ জংশনে নামতে হবে। সেখান থেকে টোটোতে আজিমগঞ্জ সিটিতে যাওয়া যায়। শিয়ালদহ থেকে প্যাসেঞ্জার ট্রেনে গেলে আজিমগঞ্জ সিটিতে নামতে পারেন। থাকার জন্য সিটি স্টেশনের পাশে কয়েকটি হোটেল আছে। শিয়ালদহ-লালগোলা লাইনের জিয়াগঞ্জ স্টেশনে নেমে গঙ্গা পেরিয়েও বড়নগরে যেতে পারেন।
আজিমগঞ্জ সিটি স্টেশন থেকে বরনগরে যাওয়ার পথে ডান দিকে গঙ্গার ধারে একটি শিব মন্দির দেখা যায় যেটি পঞ্চমুখী বা পাঁচমুখী শিব মন্দির বলে পরিচিত।
প্রায় ভূমি সমতলে অবস্থিত, ত্রিখিলান প্রবেশপথবিশিষ্ট, দক্ষিণমুখী মন্দিরটি 'দোচালা' বা 'এক বাংলা' শৈলীর। মন্দিরের সামনের তিনটে খিলানের উপর 'টেরাকোটা'র অলংকরণ আছে। যদিও রঙের প্রলেপে সেই 'টেরাকোটা' এখন অনেকটাই ম্লান। টেরাকোটার বিষয় : রামরাবণের যুদ্ধ। মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাকাল জানা যায় না। ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে স্থানীয় জৈন ব্যবসায়ী D. L. Nowlakha মন্দিরটির সংস্কার করেন। মন্দিরটি একটি ঘেরাক্ষেত্রে অবস্থিত। সামনে সুন্দর ফুলের বাগান। মন্দিরের গর্ভগৃহে একটি পঞ্চমুখী শিব নিত্য পূজিত।
![]() |
| Add caption |
![]() |
| মন্দিরের সামনের বিন্যাস |
![]() |
| মন্দিরের ত্রিখিলান বিন্যাস |
![]() |
| বাঁ দিকের খিলানের উপরের কাজ |
![]() |
| মাঝের খিলানের উপরের কাজ |
![]() |
| ডান দিকের খিলানের উপরের কাজ |
![]() |
| পঞ্চমুখী শিব |
-------------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।
বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।
আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।
অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।
বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা।
রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।
বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন : 9038130757 এই নম্বরে।
কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।
-------------------------------------------------------
আমার WhatsApp no. 8961961262. প্রয়োজনে WhatsApp করতে পারেন।










কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন