পঞ্চরত্ন গোপালেশ্বর মন্দির, বনকাটি, কাঁকসা, পশ্চিম বর্ধমান
শ্যামল কুমার ঘোষ
পশ্চিম বর্ধমান জেলার কাঁকসা থানার অন্তর্গত একটি প্রাচীন ও বর্ধিষ্ণু গ্রাম বনকাটি। বাসে পানাগড়-ইলামবাজার রাস্তার ১১ মাইল স্টপেজে নেমে টোটোতে এই গ্রামে যাওয়া যায়। ঘন জঙ্গল কেটে বসতি স্থাপন করা হয়েছিল বলে গ্রামের নাম হয় বনকাটি। গ্রামে অনেক গুলি মন্দির আছে। তার মধ্যে স্থানীয় মুখোপাধ্যায় পরিবার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত গোপালেশ্বের শিব মন্দিরটি খুবই প্রসিদ্ধ।
সামান্য উঁচু ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত, দক্ষিণমুখী, একদুয়ারী, অলিন্দবিহীন মন্দিরটি পঞ্চরত্ন শৈলীর। মন্দিরের সামনের দেওয়ালে 'টেরাকোটা'র অলংকরণ আছে। পাশের দুটি দেওয়ালেও অল্প 'টেরাকোটা'র অলংকরণ আছে। টেরাকোটার বিষয় : রাজদরবারে রামসীতা, সৈন্যদলের কুচকাওয়াজ, কালী, ছিন্নমস্তা, ত্রিপুরাসুন্দরী, গজলক্ষ্মী, কমলা, ঘোড়ায় টানা গাড়ি ও মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গা ইত্যাদি। মন্দিরটি ১৭৫৪ শকব্দে বা ১৮৩২ খ্রীষ্টাব্দে নির্মিত হয়। মন্দিরে একটি প্রতিষ্ঠাফলক আছে। এই মন্দিরের পাশেই একটি ঘরে বনকাটির বিখ্যাত পিতলের রথটি রাখা আছে।
 |
| ঘোড়ায় টানা গাড়ি |
 |
| গোপালেশ্বের মন্দির, বনকাটি |
 |
| মন্দিরের সামনের বিন্যাস |
 |
| খিলানের উপরের কাজ |
 |
| রাজদরবারে রামসীতা |
 |
| ঘোড়ায় টানা রথ |
 |
| বাঁ দিকের ভিত্তিবেদি সংলগ্ন কাজ |
 |
| সৈন্যদলের কুচকাওয়াজ |
 |
| ছিন্নমস্তা ও ত্রিপুরাসুন্দরী |
 |
| ছিন্নমস্তা |
 |
| ত্রিপুরাসুন্দরী |
 |
| টেরাকোটা চিত্র |
 |
| গজলক্ষ্মী ও কমলা |
 |
| কালী |
 |
| ডান দিকের ভিত্তিবেদি সংলগ্ন কাজ |
 |
| ষড়ভুজ গৌরাঙ্গ, কৃষ্ণ ও কালী |
 |
| ষড়ভুজ গৌরাঙ্গ |
 |
| নৌকা বিহার |
 |
| কুলুঙ্গির কাজ - ১ |
 |
| কুলুঙ্গির কাজ - ২ |
 |
| কুলুঙ্গির কাজ - ৩ |
 |
| কুলুঙ্গির কাজ - ৪ |
 |
| কুলুঙ্গির কাজ - ৫ |
 |
| টেরাকোটা চিত্র - ১ |
 |
| টেরাকোটা চিত্র - ২ |
 |
| ঘোড়ায় টানা গাড়ি ও অন্যান্য চিত্র |
 |
| পাখি ধরা ও অন্য চিত্র |
 |
| ঘোড়ায় টানা গাড়ি |
 |
| বীণাবাদিকা |
 |
| মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গা |
 |
| প্রতিষ্ঠাফলক |
মন্দিরটি পরিদর্শনের তারিখ : ১৩.১২.২০১৯
-----------------------------------------------------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন। আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না। অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।
বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা।
রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।
বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন : 9038130757 এই নম্বরে।
কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।
আমার বনকাটি।
উত্তরমুছুনছবি সুন্দর।
মন্দিরের প্রতিষ্ঠাকাল ১৭৫৪ শকাব্দ।
প্রতিষ্ঠালিপি অনুযায়ী।
প্রতিষ্ঠালিপি টি চুরির চেষ্টা হয়েছিল
অনেক ধন্যবাদ
মুছুন