Bijay Krishna Goswami Bari Santipur Nadia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Bijay Krishna Goswami Bari Santipur Nadia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৫

Atabunia Goswami Bari, Santipur, Nadia, West Bengal

   আতাবুনিয়া  গোস্বামী  বাড়ি ( সাধক  বিজয়কৃষ্ণ  গোস্বামী  বাড়ি ),  শান্তিপুর,  নদিয়া 

                                                     শ্যামল  কুমার  ঘোষ

               আতাবুনিয়া  গোস্বামী  বাড়ির  প্রতিষ্ঠাতা  শান্তিপুর  পুরন্দর  শ্রীঅদ্বৈতাচার্যের  পৌত্র  দেবকীনন্দন  গোস্বামী।  কথিত  আছে,  আগে  এখানে  আতাবন  ছিল।  তাই  নাম  হয়  আতাবুনিয়া।  এই  বংশকে  বকুলতলা  গোস্বামী  শাখাও বলা  হয়।  এই  বংশের  কুলদেবতা  শ্রীশ্রী শ্যামসুন্দর-রাধিকা  ( রাধাকৃষ্ণ )  এক  দালান  মন্দিরে  প্রতিষ্ঠিত।  নোয়াখালির  জমিদার  নরেন্দ্রকিশোর  রায়  মন্দিরটি  নির্মাণ  করে  দেন।  প্রবাদ,  অদ্বৈতপ্রভু  দেবকীনন্দনের শ্যামসুন্দর  বিগ্রহের  প্রতিষ্ঠাকার্যে  পৌরোহিত্য  করেছিলেন।  মন্দিরটি  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত  এবং  পাঁচ  খিলানবিশিষ্ট।  মন্দিরের  সামনে  ফাঁকা  উঠোন  এবং  তাকে  ঘিরে চকমিলানো  ছোটো  ছোটো  ঘর।

               এই  বংশে  শ্রীঅদ্বৈতপ্রভুর  নবম  পুরুষে  আনন্দকিশোর   গোস্বামী  নামে  এক  পরম  ভাগবত  জন্মগ্রহণ  করেন।  সাধক  বিজয়কৃষ্ণ  গোস্বামী  ছিলেন  পিতা  আনন্দকিশোর   গোস্বামী  ও  মাতা  স্বর্ণময়ী  দেবীর  সুসন্তান।  শ্যামসুন্দর  বিগ্রহের  সঙ্গে  সাধক  বিজয়কৃষ্ণের  অনেক  মধুর  লীলার  সাক্ষী  এই   আতাবুনিয়া  গোস্বামী  বাড়ি  বা  বিজয়কৃষ্ণ  গোস্বামী  বাড়ি।  এখানে  বিজয়কৃষ্ণের  সাধনগৃহ  সযত্নে  সংরক্ষিত।

             শান্তিপুরে  বিজয়কৃষ্ণ  গোস্বামী  বাড়ি   যেতে  হলে  শিয়ালদহ  থেকে  শান্তিপুর  লোকালে  উঠুন।  রেলপথে  শান্তিপুরের  দূরত্ব  ৯৩  কি. মি. ; ট্রেনে  সময়  লাগে  আড়াই  ঘন্টা।  ৩৪  নং  জাতীয়  সড়ক শান্তিপুরের  ওপর  দিয়ে  গেছে।  তাই  বাসে  বা  গাড়িতেও  যেতে  পারেন।  স্টেশন  থেকে  টোটো  বা  রিকশায়  পৌঁছে  যান  বিজয়কৃষ্ণ  গোস্বামী  বাড়ি।

আতাবুনিয়া  গোস্বামী  বাড়ি

শ্রীশ্রী  শ্যামসুন্দর  জিউ  মন্দির

বিজয়কৃষ্ণ  গোস্বামীর  সাধনগৃহ 

শ্রীশ্রী  শ্যামসুন্দর  বিগ্রহ - ১

শ্রীশ্রী  শ্যামসুন্দর  বিগ্রহ - ২

       সহায়ক  গ্রন্থাবলি  :
                ১. নদিয়া  জেলার  পুরাকীর্তি  :  মোহিত  রায়  ( তথ্য-সংকলন  ও  গ্রন্থনা )
                ২. রাসোৎসব - ২০১৫  উপলক্ষে  শান্তিপুর  বিগ্রহ  বাড়ি  সমন্বয়  সমিতি  কর্তৃক  প্রকাশিত  পুস্তিকা 
                ৩. পশ্চিমবঙ্গ  ভ্রমণ  ও  দর্শন  :  ভূপতিরঞ্জন  দাস       
                        --------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না, বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।