শিবমন্দির, দিহিবাতপুর, হুগলি
শ্যামল কুমার ঘোষ
আরামবাগ মহকুমার পুড়শুড়া থানা ও ব্লকের অন্তৰ্গত একটি গ্রাম দিহিবাতপুর। গ্রামটি দেউলপাড়ার কাছে অবস্থিত। তারকেশ্বর থেকে সহজেই এখানে যাওয়া যায়।
এখানে ঘোষ বংশ প্রতিষ্ঠিত একটি শিবমন্দির আছে। ( নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য লিখিত হুগলি জেলার পুরাকীর্তি গ্রন্থে সরকার বংশ বলে উল্লেখ আছে। ) মন্দিরটি আগে 'পঞ্চরত্ন' ছিল। একটি চারচালা মন্দিরের ছাদের মধ্যবর্তী স্থানে একটি 'চূড়া' বা 'রত্ন' বসলে হয় 'এক রত্ন' মন্দির। এক 'রত্ন' মন্দিরের চার কোণে চারটি তুলনায় ছোট রত্ন বসালে হয় 'পঞ্চরত্ন' মন্দির। আলোচ্য মন্দিরের চার কোণের রত্নগুলি পড়ে গেছে। সংস্কারের পরে তাই এটিকে আর 'পঞ্চরত্ন' বলে মনে হয় না। 'একরত্ন' মন্দির বলেই ভুল হয়।
মন্দিরটি প্রায় ভূমি সমতলের ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত, পশ্চিমমুখী ও একদ্বারবিশিষ্ট। গর্ভগৃহের সামনে কোন অলিন্দ নেই। প্রবেশদ্বারের উপরে পত্রাকৃতি খিলান অর্থাৎ খিলানের নিচের প্রান্ত বরাবর ছোট ছোট অর্ধবৃত্তাকারে ঢেউ খেলানো। মন্দিরের সামনের দেওয়ালে টেরাকোটার অলংকরণ আছে। তবে অনেক ফলকই নষ্ট হয়ে গেছে। মন্দিরের নির্মাণকাল ১৬৭৮ শকাব্দ ( ১৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দ ) বা ১১৬৩ বঙ্গাব্দ। সংস্কারকাল ১৩৯২ বঙ্গাব্দ। মন্দিরের নির্মাণকালীন একটি প্রতিষ্ঠা ফলক আছে। সংস্কারের সময় দুটি ফলক লাগানো হয়েছে। গর্ভগৃহে কাল পাথরের শিবলিঙ্গ নিত্য পূজিত।
এই মন্দিরের একটু পশ্চিমে বসু বংশ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত অনুরূপ একটি শিবমন্দির আছে। মন্দিরটি দক্ষিণমুখী ও ভগ্ন। মন্দিরের সামনের দেওয়ালে কিছু টেরাকোটার কাজ বর্তমান।
এখানে ঘোষ বংশ প্রতিষ্ঠিত একটি শিবমন্দির আছে। ( নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য লিখিত হুগলি জেলার পুরাকীর্তি গ্রন্থে সরকার বংশ বলে উল্লেখ আছে। ) মন্দিরটি আগে 'পঞ্চরত্ন' ছিল। একটি চারচালা মন্দিরের ছাদের মধ্যবর্তী স্থানে একটি 'চূড়া' বা 'রত্ন' বসলে হয় 'এক রত্ন' মন্দির। এক 'রত্ন' মন্দিরের চার কোণে চারটি তুলনায় ছোট রত্ন বসালে হয় 'পঞ্চরত্ন' মন্দির। আলোচ্য মন্দিরের চার কোণের রত্নগুলি পড়ে গেছে। সংস্কারের পরে তাই এটিকে আর 'পঞ্চরত্ন' বলে মনে হয় না। 'একরত্ন' মন্দির বলেই ভুল হয়।
মন্দিরটি প্রায় ভূমি সমতলের ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত, পশ্চিমমুখী ও একদ্বারবিশিষ্ট। গর্ভগৃহের সামনে কোন অলিন্দ নেই। প্রবেশদ্বারের উপরে পত্রাকৃতি খিলান অর্থাৎ খিলানের নিচের প্রান্ত বরাবর ছোট ছোট অর্ধবৃত্তাকারে ঢেউ খেলানো। মন্দিরের সামনের দেওয়ালে টেরাকোটার অলংকরণ আছে। তবে অনেক ফলকই নষ্ট হয়ে গেছে। মন্দিরের নির্মাণকাল ১৬৭৮ শকাব্দ ( ১৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দ ) বা ১১৬৩ বঙ্গাব্দ। সংস্কারকাল ১৩৯২ বঙ্গাব্দ। মন্দিরের নির্মাণকালীন একটি প্রতিষ্ঠা ফলক আছে। সংস্কারের সময় দুটি ফলক লাগানো হয়েছে। গর্ভগৃহে কাল পাথরের শিবলিঙ্গ নিত্য পূজিত।
![]() |
| শিবমন্দির |
![]() |
| মন্দিরের সামনের বিন্যাস |
![]() |
| কুলুঙ্গিরের মধ্যের মূর্তি - ১ |
![]() |
| কুলুঙ্গিরের মধ্যের মূর্তি - ২ |
![]() |
| কুলুঙ্গিরের মধ্যের মূর্তি - ৩ |
![]() |
| প্রতিষ্ঠাফলক ও কুলুঙ্গিরের মধ্যের মূর্তি |
![]() |
| কুলুঙ্গিরের মধ্যের মূর্তি - ৪ |
এই মন্দিরের একটু পশ্চিমে বসু বংশ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত অনুরূপ একটি শিবমন্দির আছে। মন্দিরটি দক্ষিণমুখী ও ভগ্ন। মন্দিরের সামনের দেওয়ালে কিছু টেরাকোটার কাজ বর্তমান।
সহায়ক গ্রন্থ / উৎস :
১) হুগলি জেলার পুরাকীর্তি : নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য
১) হুগলি জেলার পুরাকীর্তি : নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য
-----------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন। আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না। অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।
বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা।
রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।
বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন : 9038130757 এই নম্বরে।
কলকাতার কলেজস্ট্রিটের মোড়ে দুই মোহিনীমোহন কাঞ্জিলালের কাপড়ের দোকানের মাঝের রাস্তা ১৫, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিটের উপর অবস্থিত বিদ্যাসাগর টাওয়ারের দু'তলায় 'রা প্রকাশনে'র দোকান ( রা বইহেমিয়ন )। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।












কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন