শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১

Bishalakshi Temple, Bikrampur, Parul, Arambagh, Hooghly


 বিশালাক্ষী  মন্দির,  বিক্রমপুর,  পারুল,  

আরামবাগ,  হুগলি 


শ্যামল  কুমার  ঘোষ

            রেলপথে  হাওড়া  থেকে  আরামবাগের  দূরত্ব  ৮২ কিমি।  ট্রেনে  সময়  লাগে  ২  ঘন্টা।  আরামবাগ  মহকুমার  অধীন  একটি  গ্রাম  পারুল।  স্টেশন  থেকে  অটো  বা  টোটোতে  সহজেই  পারুল  যাওয়া  যায়।  কলকাতা  থেকে  বাসেও  এখানে  যেতে  পারেন।  বাসে  গেলে  পারুল  স্টপেজে  নামতে  হবে।  পারুলে  দুটি  মন্দির  আছে।রঘুনন্দন  ও  বিশালাক্ষী।  বিশালাক্ষী  মন্দিরের  গায়ে  জায়গার  নাম  বিক্রমপুর  বলে  উল্লেখ  আছে।  রঘুনন্দন  মন্দিরের  বিবরণ  আগেই  দিয়েছি।  আলোচ্য  বিশালাক্ষী  মন্দিরের  বিবরণ  এখানে  দেব।  রঘুনন্দন  মন্দির  সম্বন্ধে  জানতে  নিচের  লিংকে  ক্লিক  করুন :

            বিশালাক্ষী  মন্দিরটি  উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  প্রতিষ্ঠিত,  দক্ষিণমুখী  ও  আটচালা  শৈলীর।  মন্দিরে  আছে  তিনটি  খিলানযুক্ত  প্রবেশপথ।  নির্মাণকাল  ১৮৫৯  খ্রীষ্টাব্দ  ( ১৭৮১  শকাব্দ )  বা  ১২৬৬  বঙ্গাব্দ। ( এখানে  উল্লেখ্য,  শকাব্দ  +  ৭৮  =  খ্রীষ্টাব্দ  এবং   খ্রীষ্টাব্দ -  ৫৯৩  = বঙ্গাব্দ )।  মন্দিরে  একটি  ক্ষয়িষ্ণু  প্রতিষ্ঠাফলক  আছে।  মন্দিরের  সামনে  'টেরাকোটা'র  অলংকরণ  আছে।  তবে  বার  বার  রং  করার  ফলে  এই  'টেরাকোটা'  শ্রী  হারিয়েছে।  মন্দিরে টেরাকোটার  বিষয়বস্তু :  রামরাবণের  যুদ্ধ,  সপারিষদ  মহাপ্রভুর  সংকীর্তনের  দৃশ্য,  অনন্তশায়ী  বিষ্ণু,  সমুদ্র  মন্থন,  বিভিন্ন  দেবদেবীর  মূর্তি,  ছেলে  কাঁকে  মহিলা,  হুঁকা  সেবন  ইত্যাদি।  গর্ভগৃহের  প্রবেশদ্বারের  দুপাশে  আছে  দুটি  দ্বারপালের  মূর্তি।  গর্ভগৃহে  দেবী  বিশালাক্ষী  নিত্য  পূজিতা।মন্দিরের  সামনে  একটি  টিনের  চালের  নাটমন্দির  আছে।    

            এই  মন্দির  ও  নিকটস্থ  দীঘি  স্থানীয়  জমিদার  রণজিৎ  রায়ের  কীর্তি।  এই  মন্দির  নিয়ে  একটি  লোকশ্রুতি  প্রচলিত  আছে।  রণজিৎ  রায়েকে   দেবী  বিশালাক্ষী  প্রতিশ্রুতি  দেন  যে  তিনি  তাঁর  কন্যা  হয়ে  জন্মাবেন  কিন্তু  যদি  কোনদিন  তাঁকে  চলে  যেতে  বলা  হয়  তবে  তিনি  তৎক্ষণাৎ  চলে  যাবেন।  একদিন  বারুণী  উৎসবের  দিন  কন্যারূপী  দেবী  রণজিৎ  রায়ের  কাছ  থেকে  স্নানে  যাওয়ার  অনুমতি  চান।  অন্যমনস্কভাবে  তিনি  অনুমতি  দেন।  অতঃপর  দেবী  চিরকালের  জন্য  ওই  দীঘির  জলে  বিলীন  হয়ে  যান।

            মন্দিরটি  পরিদর্শনের  তারিখ :  ১১.১১.২০১৭ 

বিশালাক্ষী মন্দির, বিক্রমপুর, পারুল, হুগলি

নাটমন্দিরসহ বিশালাক্ষী মন্দির, বিক্রমপুর, পারুল, হুগলি

মন্দিরের সামনের বিন্যাস 

বাঁ দিকের খিলানের উপরের কাজ 

মাঝের খিলানের উপরের কাজ

ডান দিকের খিলানের উপরের কাজ

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ১

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ২

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৩

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৪

কুলুঙ্গির মধ্যের কাজ - ৫

প্রতিষ্ঠাফলক 

প্রবেশদ্বারের ডান দিকের দ্বারপাল 

মন্দিরের গর্ভগৃহ

মা বিশালাক্ষী 

    সহায়ক  গ্রন্থ : 
          ১)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য 

           -----------------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। 

বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।




 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১

Ramsita Temple, Rajbari Temple Complex, Ambika Kalna, Purba Bardhaman


রামসীতার  মন্দির,  কৃষ্ণচন্দ্র  মন্দির  প্রাঙ্গণ, রাজবাড়ি  মন্দির  চত্বর,  অম্বিকা  কালনা,  

পূর্ব  বর্ধমান

            শ্যামল  কুমার  ঘোষ


            অম্বিকা  কালনার  রাজবাড়ি  মন্দির  চত্বরের  পূর্ব  দিকে  অবস্থিত  কৃষ্ণচন্দ্র  মন্দির।  এই  মন্দিরের  বিবরণ  আগেই  দিয়েছি।   এখানে  আলোচনা  করবো  রামসীতার  মন্দির  সম্বন্ধে।  

            কৃষ্ণচন্দ্র  মন্দিরের  প্রাচীর  বেষ্টনীর  মধ্যে  রয়েছে  তিনটি  উপমন্দির।  বদ্রিনারায়ণ,  রাধাবল্লভ  ও  রামসীতার  মন্দির।  মন্দিরের  সামনে  আছে  রাধাবল্লভ  মন্দির,  পশ্চিম  দিকে  আছে  বদ্রিনারায়ণের  মন্দির।  আর  পূর্ব  দিকে  আছে  রামসীতার  মন্দির।  মন্দিরটি  ইঁটের  তৈরি  দালান।  মন্দিরে  রামসীতা  ও  অন্যান্য  বিগ্রহ  নিত্য  পূজিত।

রামসীতার মন্দির,অম্বিকা কালনা, পূর্ব বর্ধমান 

রামসীতা ও অন্যান্য বিগ্রহ 

রামসীতার বিগ্রহ 

            অম্বিকা  কালনার  এই  মন্দিরে  যেতে  হলে  শিয়ালদহ  থেকে  সকাল  ৮ টা  ৬ মিনিটের  কাটোয়া  লোকাল  বা  হাওড়া  থেকে  কাটোয়া  লোকাল  ধরুন।  ব্যাণ্ডেল  থেকেও  অম্বিকা  কালনা  যাওয়ার  গাড়ি  পাবেন।  স্টেশন  থেকে  রিকশা  বা  টোটোতে  মন্দিরে  পৌঁছে  যান।  নদিয়া  জেলার  শান্তিপুর  থেকেও  গঙ্গা  পেরিয়ে  কালনায়  যেতে  পারেন। 

            মন্দিরটি  পরিদর্শনের  তারিখ : ০১.০৭.২০১৬

                 -----------------------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।




প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।



 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২১

Nrisinghadev Temple, Gokarna, Murshidabad


নৃসিংহদেবের মন্দির, গোকর্ণ, মুর্শিদাবাদ

                   শ্যামল কুমার ঘোষ  


            মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি থানার অন্তর্গত একটি প্রাচীন গ্রাম গোকর্ণ। পূর্ব রেলের কাটোয়া-আজিমগঞ্জ রেলপথে কর্ণসুবর্ণ স্টেশনে নেমে টোটোতে এই গ্রামে যাওয়া যায়। গ্রামে  নৃসিংহদেবের মন্দিরটি  উল্লেখযোগ্য। বহরমপুর থেকে কান্দিগামী বাসেও এখানে যাওয়া যায়। 
            উঁচু ভিত্তিবেদির উপর প্রতিষ্ঠিত, পশ্চিমমুখী মন্দিরটি চারচালা শৈলীর। বহুবার সংস্কৃত মন্দিরটি ১৫০২ শকাব্দে বা ১৫৮০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত। মন্দিরে সংস্কৃত ভাষায় রচিত লিপিটি বাংলা হরফে লিখিত। লিপিটি অস্পষ্ট হওয়াতে হরফের উপর অপরিপক্ক হাতে রং দিয়ে বোলানো হয়েছে। তাই পুরা লিপিটির পাঠোদ্ধার করা সম্ভব নয়। 

            পক্ষবিন্দুযুতে (ষুতে ? ) শাকে বাণচন্দ্র। ... 
           
            পক্ষ = ২, বিন্দু = ০, বাণ = ৫, চন্দ্র = ১  ধরে অঙ্কের বামা গতি নিয়মানুসারে প্রতিষ্ঠাকাল ১৫০২ শকাব্দ বা ১৫৮০ খ্রীষ্টাব্দ।
     
            মন্দিরে কয়েকটি ক্ষয়িষ্ণু টেরাকোটা ফলক বর্তমান। এগুলি টেরাকোটা-সজ্জার প্রথম যুগের নিদর্শন। উল্লেখ্য, নৃসিংহদেবের  মন্দিরের উপরে যে মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গা মূর্তিটি আছে তা বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন দুর্গা মূর্তি। 

            মন্দিরের গর্ভগৃহে কষ্টিপাথরের এক সুন্দর নৃসিংহ মূর্তি বর্তমান। বাম উরুর উপর স্থাপিত হিরণ্যকশিপুর উদরবিদারণরত নৃসিংহদেব। 

            নৃসিংহদেবের মন্দির চত্বরে আরও কয়েকটি মন্দির বর্তমান।  মন্দিরটি পরিদর্শনের তারিখ :  ০৫.০৫.২০২০

নৃসিংহদেবের মন্দির, গোকর্ণ

একটি টেরাকোটার নিদর্শন

মহিষাসুরমর্দিনী মূর্তি 

নৃসিংহদেবের বিগ্রহ - ১

নৃসিংহদেবের বিগ্রহ - ২

 সহায়ক  গ্রন্থ :

             ১) বাংলার  মন্দির :  স্থাপত্য  ও  ভাস্কর্য -  প্রণব  রায় 
        -------------------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

                                  ------------------------------------------------------

           আমার WhatsApp no. 8961961262. প্রয়োজনে  WhatsApp করতে পারেন।