মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০২৫

Annapurna Temple, Golak Kayal Thakurbari, Harish Chatterjee Street

        

                           অন্নপূর্ণা মন্দির, গোলক কয়াল ঠাকুরবাড়ি,

হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিট, ভবানীপুর, কলকাতা 

         

         হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিট থেকে এই ঠাকুরবাড়ির গলি পথে ঢুকে একটু এগিয়ে প্রথমে বাঁ দিকে এবং তারপর ডান দিকে ঘুরলে প্রথমেই পড়বে একটি আটচালা শিবমন্দির। অল্প উঁচু ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত, দক্ষিণমুখী শিবমন্দিরে একটি কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠিত ও নিত্য পূজিত। শিবমন্দিরের গায়ে একটি শ্বেতপাথরের ফলক আছে। এর পর এই শিবমন্দিরের লাগোয়া কয়েকটি ঘর সংবলিত, দক্ষিণমুখী ও একটি লম্বা-টানা অলিন্দযুক্ত দালান শৈলীর কয়ালদের ঠাকুরবাড়ি। বাঁ দিকের প্রথম ঘরটিতে আছেন রাধামাধব ও রাধারানি বিগ্রহ। রাধামাধব কালো পাথরের ও রাধারানি ধাতুময়ী। এছাড়াও এই ঘরে আছেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা, কালী, শণি, নাড়ু গোপাল ইত্যাদি অনেক দেবদেবী। সমস্ত বিগ্রহই নিত্য পূজিত।  

            এই ঘরের ডানদিকের একটি ঘরে দক্ষিণ দিকে মুখ করে আছেন দারু নির্মিত মা অন্নপূর্ণার মূর্তি। এখানে উল্লেখ্য, মা অন্নপূর্ণার প্রচলিত যে মূর্তি সর্বত্র দেখা যায় তা হল, অন্নপূর্ণার ডান হাতে অন্নদান করার হাতা, বাঁ হাতে অন্নপাত্র এবং তাঁর ডান পাশে শিব ভিক্ষাপাত্র হাতে বা ভিক্ষার ঝোলা কাঁধে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ মন্দিরে দেখা যায়, একটি কাঠের সিংহাসনে মা অন্নপূর্ণা উপবিষ্টা। তাঁর ডান হাতে অন্নদান করার হাতা, বাঁ হাতে অন্নপাত্র। কিন্তু অন্নপূর্ণার ডান পাশে জায়গা না থাকার জন্য অন্নপূর্ণার সামনে, ঘরের বাঁ দিকে পূর্ব দিকে মুখ করে দণ্ডায়মান অবস্থায় আছেন গঙ্গাধর শিব। এই বিগ্রহ সিমেন্টের। শিবের ডান হাতে একটি ডমরু ঝোলানো ও ডান কাঁধে একটি কাপড়ের ঝোলা আছে। এছাড়াও এই ঘরে আছেন শ্বেতপাথরের বিষ্ণু ও লক্ষ্মী মূর্তি। বিগ্রহগুলি নিত্য পূজিত।

            ১২৮৯  বঙ্গাব্দে অর্থাৎ ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে গোলক চন্দ্র কয়াল কালীঘাটের আদিগঙ্গার তীরে এই ঠাকুরবাড়ি ও সংলগ্ন ঘাটটি প্রতিষ্ঠা করেন। ঠাকুরবাড়ির সংলগ্ন ঘাটটি গোলক কয়ালের ঘাট নামে পরিচিত। নিত্য পূজা ছাড়াও চৈত্র মাসে অন্নপূজার সময় অন্নপূর্ণার বিশেষ পূজা ও অন্নকুট উৎসব পালিত হয়। বাকি দেবদেবীর বছরের নির্দিষ্ট সময়ে বিশেষ পূজাও অনুষ্ঠিত হয়। কলকাতায় দারুনির্মিত অন্নপূর্ণার মূর্তি আর কোথাও দেখা যায় না। ঠাকুরবাড়ির বাইরের দেওয়ালে কলকাতা কর্পোরেশন কর্তৃক লেখা ( 'গোলক কয়াল ঘাট  গ্রেড ১  হেরিটেজের মর্যাদা প্রাপ্ত' ) একটি ধাতব ফলক লাগানো আছে। 


রাধামাধব ও রাধারানি

দারু নির্মিত মা অন্নপূর্ণা
গঙ্গাধর শিব

শ্বেতপাথরের বিষ্ণু ও লক্ষ্মী মূর্তি

কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ

দেওয়ালে লাগানো শ্বেতপাথরের ফলক 

কলকাতা কর্পোরেশন কর্তৃক প্রদত্ত গ্রেড ১  হেরিটেজ ফলক 

           কীভাবে যাবেন?

            ধর্মতলা থেকে ভবানীপুর গামী যেকোনও বাসে উঠে চক্রবেড়িয়াতে নামুন। সেখান থেকে সুহাসিনী গাঙ্গুলি সরণি ধরে আদি গঙ্গার দিকে হাঁটলে গোলক কয়াল ঠাকুরবাড়ি পৌঁছে যাবেন।   

              ----------------------------------------

রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।


 

প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না

     অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।
                                           ----------------------------------------------

        আমার WhatsApp no. 8961961262. প্রয়োজনে  WhatsApp করতে পারেন।

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫

Book : Banglar Terracotta Mandire Ramayana

    বই :  বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ 

                        ---------------------------

রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।

 বইটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে । 



মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

Temples of Ilchhoba ( Ilsoba )

  ইলছোবার মন্দির 

শ্যামল কুমার ঘোষ 


            ইলছোবার দূরত্ব হাওড়া-বর্ধমান মেন্ লাইনের খন্যান স্টেশন থেকে সাড়ে তিন কিমি। খন্যান হাওড়া-বর্ধমান মেন্ লাইনের হাওড়া থেকে ২১ তম রেলস্টেশন। হাওড়া থেকে রেলপথে দূরত্ব ৫৫.৩ কিমি। ইলছোবা বিখ্যাত পণ্ডিত রামগতি ন্যায়রত্নের জন্মস্থান। তিনি ইলছোবা নামে একটি পুস্তিকা লিখেছিলেন। 
            গ্রামের মধ্যপাড়ায় দাস বংশ প্রতিষ্ঠিত তিনটি মন্দির বর্তমান। তিনটি মন্দিরের মধ্যে দুটি পঞ্চরত্ন ও একটি আটচালা। পঞ্চরত্নের শিখরগুলি রেখধরণের খাঁজকাটা। উত্তরমুখী, অলিন্দবিহীন,পঞ্চরত্ন মন্দির দুটি একই উঁচু ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত এবং সামনে একটি রোয়াক দ্বারা সংযুক্ত। বাঁ দিকের মন্দিরটির একটি প্রবেশদ্বার। প্রবেশদ্বারের উপর পত্রাকৃতি খিলান, অর্থাৎ খিলানের নিচের প্রান্ত বরাবর ছোটো ছোটো অর্ধবৃত্তাকারে ঢেউ খেলানো। খিলানের উপরের প্রান্ত বরাবর বারোটি প্রতীক শিবমন্দির এবং তার মধ্যে শিবলিঙ্গ। এরই উপরে আছে টেরাকোটার দুটি বড়ো বড়ো ফুল। এছাড়াও মন্দিরে সামান্য টেরাকোটা-নকশা আছে। মন্দিরটি বিষ্ণু মন্দির। গর্ভগৃহে একটি নারায়ণ শিলা ও একটি কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি নিত্য পূজিত। 
            ডান দিকের মন্দিরটি শিব মন্দির। মন্দিরটির তিনটি খিলান,মাঝের খিলানটির নিচে আছে একটি গর্ভগৃহে প্রবেশের দরজা। পাশের খিলানদুটির নীচে আছে টেরাকোটা-   অলংকরণ সমন্বিত দুটি ভরাট করা দরজা। তিনটি খিলানের নীচের প্রান্ত বরাবর ছোটো   ছোটো অর্ধবৃত্তাকারে ঢেউ খেলানো। মাঝের খিলানের উপরের প্রান্ত বরাবর দশটি প্রতীক  শিবমন্দির এবং তার মধ্যে শিবলিঙ্গ এবং পাশের উভয় খিলানের উপরের প্রান্ত বরাবর ছ'টি করে প্রতীক শিবমন্দির এবং তার মধ্যে শিবলিঙ্গ আছে। মন্দিরের সামনের দেওয়াল  টেরাকোটা-অলংকারে অলংকৃত। তবে এই টেরাকোটা ফলকের বেশির ভাগ হয় ভেঙে গেছে নতুবা সিমেন্ট-বালির ছিটে পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। মাঝের খিলানের উপরে আছে দুটি রাসমণ্ডল এবং পাশের খিলান দুটিতে আছে দুটি করে টেরাকোটা-ফুল। ভিত্তিবেদি সংলগ্ন টেরাকোটা ফলকগুলির মধ্যে কৃষ্ণলীলার দৃশ্য দেখা যায়। এদের মধ্যে কৃষ্ণের জন্ম, বসুদেব-দেবকী কর্তৃক চতুর্ভূজ কৃষ্ণ ( বিষ্ণু ) বন্দনা, কৃষ্ণকে কোলে নিয়ে বসুদেবের যমুনা   অতিক্রমের দৃশ্য, শিশু কৃষ্ণকে যমুনার জলপূর্ণ ঘটের দ্বারা স্নান করানো, পুতনা বধ, শকট
 ভঞ্জন,  তৃণাবর্তাসুর বধ, শ্রীকৃষ্ণের মথুরা গমন দৃশ্য, গোপীদের বস্ত্রহরণ, বকাসুর    বধ, কুবলয়পীর বধ, চানুর ও মুষ্টিক বধ এবং কংস বধ উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও জমিদারের শিবিকায় গমন,                                                                                                              বাঁশবাজি, মহিষমর্দিনী দুর্গা, বন্দুক হাতে সাহেব, রণতরি উল্লেখযোগ্য। সামনের দেওয়ালের দুপাশের উলম্ব ও  খিলানের উপরের অনুভূমিক কুলুঙ্গিতে বিভিন্ন মূর্তি আছে। এছাড়াও সামনের দেওয়ালের ডানদিকে আছে ভগ্ন কল্পলতা বা মৃত্যুলতা।                                                   
এই দুটি পঞ্চরত্ন মন্দিরের ডান দিকে একটি আটচালা শিবমন্দির আছে। পূর্বমুখী ও অলিন্দবিহীন এই মন্দিরটি উঁচু ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত। মন্দিরের সামনের দেওয়ালে   টেরাকোটার কয়েকটি ছোটো ফুল ও একটি ধাবমান ষাঁড় ছাড়া আর কোনো ফলক নেই। গর্ভগৃহে ঢোকার একটিই দরজা, সামনে। গর্ভগৃহে কালো পাথরের শিবলিঙ্গ নিত্য পূজিত।

                প্রথম মন্দির দুটি প্রতিষ্ঠা করেন রাজা-জমিদার রামলোচন দাস। তিনি পশ্চিমের কোনো দেশ থেকে এসেছিলেন। তিনি বাংলার নবাবের উচ্চ পদের কর্মচারী ছিলেন। পাশের মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন রামলোচন দাসের এক জ্ঞাতি শ্রীনাথ দাস। পরবর্তী কালে তিনি এখান থেকে চলে যান। নিত্য পূজা ছাড়াও মন্দিরগুলিতে বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। মন্দিরগুলিতে কোনো প্রতিষ্ঠাফলক নেই। 
 
           উপরোক্ত মন্দির তিনটি ছাড়াও ইলছোবাতে বন্দোপাধ্যায়দের প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি আটচালা শিবমন্দির ও একটি বারোচালা শিবমন্দির আছে। বারোচালা মন্দিরটির চালাগুলি কাছাকাছি অবস্থিত। মন্দিরগুলি সবই সংস্কার করা হয়েছে। এগুলিতে এখন আর কোনো 'টেরাকোটা' নেই। মন্দিরগুলিতে কোনো প্রতিষ্ঠাফলক নেই। হুগলি জেলায় আর একটি বারোচালা মন্দির আছে সেনহাটে। 


মাঝের খিলানের উপরে আছে দুটি রাসমণ্ডল

দুটি পঞ্চরত্ন মন্দির 

বাঁ দিকের পঞ্চরত্ন মন্দির

বাঁ দিকের মন্দিরের খিলানের উপর কাজ

বাঁ দিকের মন্দিরের কুলুঙ্গির কাজ - ১ 

বাঁ দিকের মন্দিরের কুলুঙ্গির কাজ - ২
ডান দিকের পঞ্চরত্নমন্দির

ডান দিকের পঞ্চরত্নমন্দিরের সামনের বিন্যাস

ডান দিকের পঞ্চরত্নমন্দিরের তিনটি খিলান

ডান দিকের মন্দিরের বাঁ দিকের খিলানের কাজ

ডান দিকের মন্দিরের মাঝের খিলানের কাজ

মাঝের খিলানের উপরে আছে দুটি রাসমণ্ডল 

বাঁ দিকের রাসমণ্ডল

ডান দিকের রাসমণ্ডল

ডান দিকের খিলানের কাজ

ডান দিকের মন্দিরের খিলানের নীচে ভরাট করা দরজা

ডান দিকেরপঞ্চরত্ন পঞ্চরত্ন মন্দিরের ভিত্তিবেদি সংলগ্ন কাজ - ১ 

ডান দিকেরপঞ্চরত্ন পঞ্চরত্ন মন্দিরের ভিত্তিবেদি সংলগ্ন কাজ - ২ 

ডান দিকেরপঞ্চরত্ন মন্দিরের ভিত্তিবেদি সংলগ্ন কাজ - ১

কুলুঙ্গির কাজ - ১ 

কুলুঙ্গির কাজ - ২ 

কুলুঙ্গির কাজ - ৩

কুলুঙ্গির কাজ - ৩

কুলুঙ্গির কাজ - ৪

কুলুঙ্গির কাজ - ৫

কুলুঙ্গির কাজ - ৬

ডান দিকের মন্দিরের কল্পলতা বা মৃত্যুলতা

বিষ্ণু মন্দিরের নারায়ণ শিলা

বিষ্ণু মন্দিরের বিষ্ণু বিগ্রহ

ভগ্ন আটচালা মন্দির

আটচালা মন্দিরের সামনের বিন্যাস

আটচালা শিবমন্দিরের একটি ধাবমান ষাঁড়

বারোচালা শিবমন্দির 

বারোচালা শিবমন্দিরে ধাবমান ষাঁড়

 
            কীভাবে যাবেন ?
            হাওড়া থেকে হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের ট্রেনে উঠে খন্যান স্টেশনে নামুন। খন্যান স্টেশনের রেলগেটের কাছ থেকে ইলছোবার অটোয় উঠে মন্দিরে পৌঁছে যান। ইলছোবার   পরের স্টেশন পান্ডুয়াতে নেমেও ইলছোবা যেতে পারেন।

                                                     ***********

রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ' প্রকাশিত হয়েছে। মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।


 বইটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।
       

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।
                        ---------------------------------------------
           
        আমার WhatsApp no. 8961961262. প্রয়োজনে  WhatsApp করতে পারেন।