Siddheswari Kali Sukhsagar Nadia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Siddheswari Kali Sukhsagar Nadia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

Chinmayi and Siddheswari Kali Mata Temple, Ranaghat, Nadia,West Bengal


চিন্ময়ী  ও  সিদ্ধেশ্বরী  কালী  মাতা  মন্দির,  রানাঘাট, নদিয়া

                শ্যামল কুমার ঘোষ 

          নদিয়া  জেলার  রানাঘাট  থানার  অন্তর্গত  এবং  রানাঘাট  রেল  স্টেশন  থেকে  ১১  কিমি  দক্ষিণ-পশ্চিমে  অবস্থিত  হরধাম  গ্রাম।  নদিয়ারাজ  কৃষ্ণচন্দ্র  এই  গ্রামের  পত্তন  ও  নামকরণ  করেন।  তিনি  এখানে  রাজপ্রাসাদ,  মন্দির  ইত্যাদি  নির্মাণ  করেন।  সেই  সমস্তই  আজ  ধ্বংসস্তুপে  পরিণত  হয়েছে।  

            কৃষ্ণচন্দ্রের  মৃত্যুর  পর  তাঁর  দ্বিতীয়া  মহিষীর  গর্ভজাত  একমাত্র  শম্ভুচন্দ্রই  এখানে  অবস্থান  করেন  এবং  তাঁর  বংশধররা  এখানে  বসবাস  করতেন।  এই  শাখা  বংশ  কৃষ্ণচন্দ্রের  সঙ্গে  সাক্ষাৎ  রক্তসম্পর্কিত। 

            শম্ভুচন্দ্রের  মধ্যম  পুত্র  পৃথ্বীচন্দ্রের  পত্নী  রাধামণি  দেবী  ১৭৮৫  শকাব্দে  ( ১৮৬৩  খ্রিস্টাব্দে )  পঙ্খের  অলংকরণযুক্ত  একটি  দক্ষিণমুখী  চারচালা  মন্দির  নির্মাণ  করে  চিন্ময়ী  নামে  কষ্টিপাথরের  এক  কালীমূর্তি  প্রতিষ্ঠা  করেন। 

            চাকদহ  থানার  অন্তর্গত  সুখসাগর  গ্রামে  নদিয়ারাজ  কৃষ্ণচন্দ্র  এক  চারচালা  মন্দির  নির্মাণ  করে  উগ্রচণ্ডী  বা  সিদ্ধেশ্বরী  নামে   পাথরের  এক  কালী  মূর্তি  প্রতিষ্ঠা  করেন। বহুদিন  পূর্বে  মন্দিরটি  নদীগর্ভে  নিমজ্জিত  হওয়ার  আশঙ্খা  হলে  মূর্তিটি  হরধামের  চিন্ময়ী  মন্দিরে  রাখা  হয়।  আগেই  বলা  হয়েছে,  হরধামের  রাজপ্রাসাদ-মন্দিরও  আজ  ধ্বংসস্তুপে  পরিণত  হয়েছে। 

            বর্তমানে  চিন্ময়ী  ও  সিদ্ধেশ্বরী  কালী  মূর্তি  নদিয়ারাজ  বংশের  হরধাম  শাখার  বংশধর  যোগেশচন্দ্র  রায়ের ( রানাঘাট,  ছোটবাজারের  কাছে )  বাসভবনে  এক  শিখরযুক্ত  দালান  মন্দিরে  একটি  কাঠের  সিংহাসনে  প্রতিষ্ঠিতা  ও  নিত্যপূজিতা। 

সিদ্ধেশ্বরী  ও  চিন্ময়ী  কালী  মূর্তি

মন্দিরের  শিখর

চিন্ময়ী  কালী  মূর্তি - ১

চিন্ময়ী  কালী  মূর্তি - ২

সিদ্ধেশ্বরী  কালী  মূর্তি - ১

সিদ্ধেশ্বরী  কালী  মূর্তি - ২

সহায়ক  গ্রন্থ :


                 ১)  নদীয়া  জেলার  পুরাকীর্তি : মোহিত  রায় ( তথ্য-সংকলন  ও  গ্রন্থনা )  

                                                           ******

                 পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য কালী মন্দির সম্বন্ধে জানতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন : 
         

          ------------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না, বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।