বোড়াইচণ্ডী মন্দির, বোড়াইচণ্ডীতলা, চন্দননগর, হুগলি
শ্যামল কুমার ঘোষ
হাওড়া-ব্যাণ্ডেল রেলপথে চন্দননগর ত্রয়োদশতম রেলস্টেশন। রেলপথে হাওড়া থেকে দূরত্ব ৩২.৬ কিমি। চন্দননগর নামটি সম্ভবত 'চন্দ্র নগর' নাম থেকে এসেছে। কেউ কেউ বলেন যে গঙ্গানদী এখানে চন্দ্রাকার বলে প্রথমে 'চন্দ্রনগর' এবং তার থেকে 'চন্দননগর' হয়েছে। আবার অনেকের মতে একসময় এখানে চন্দনকাঠের বড় বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল। তা থেকে 'চন্দননগর' নামটির উদ্ভব। এক সময় শহরটি ফরাসীদের অধিকারে থাকার জন্য নাম হয় 'ফরাসডাঙা'। বিপ্রদাস পিপলাই রচিত মনসামঙ্গল কাব্যে চন্দননগরের উল্লেখ নেই, তবে চন্দননগরের অন্তর্গত 'বোড়ো'র উল্লেখ আছে।
চন্দননগরের বোড়াইচণ্ডীতলায় অবস্থিত বোড়াইচণ্ডী মন্দিরটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত। আগে জায়গাটার নাম ছিল বোড়ো। জনশ্রুতি, প্রায় পাঁচশ বছর আগে সিংহলে আটক পিতাকে মুক্ত করার জন্য শ্ৰীমন্ত সদাগর বোড়াইচণ্ডীর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন। দক্ষিণমুখী মন্দিরটি জোড়বাংলা ধরনের। দুটি 'দোচালা' বা 'একবাংলা' জোড়া দিয়ে এ ধরণের মন্দির তৈরি হয় বলে এই স্থাপত্য শৈলীর নাম 'জোড়বাংলা'। মন্দিরের প্রথম দোচালাটি অলিন্দ এবং দ্বিতীয় দোচালাটি গর্ভগৃহ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। মন্দিরের পাশ থেকে না দেখলে মন্দিরটি যে 'জোড়বাংলা' তা বোঝার উপায় নেই। ত্রিখিলান অলিন্দ। মন্দিরের সামনে মন্দির লাগোয়া একটি নাটমন্দির আছে।
গর্ভগৃহে চতুর্ভূজা মা বোড়াইচণ্ডী প্রতিষ্ঠিতা। বোড়াইচণ্ডীর মূর্তিটি নিমকাঠের তৈরী। তার উপর অষ্টধাতুর পাত দিয়ে মোড়া। পাথরের বোড়াইচণ্ডী মূর্তিটি মন্দিরে সংরক্ষিত আছে। আট ঘর সেবায়েতরা পালা করে মায়ের সেবাকার্য পরিচালনা করে থাকেন।
চন্দননগরের বোড়াইচণ্ডীতলায় অবস্থিত বোড়াইচণ্ডী মন্দিরটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত। আগে জায়গাটার নাম ছিল বোড়ো। জনশ্রুতি, প্রায় পাঁচশ বছর আগে সিংহলে আটক পিতাকে মুক্ত করার জন্য শ্ৰীমন্ত সদাগর বোড়াইচণ্ডীর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন। দক্ষিণমুখী মন্দিরটি জোড়বাংলা ধরনের। দুটি 'দোচালা' বা 'একবাংলা' জোড়া দিয়ে এ ধরণের মন্দির তৈরি হয় বলে এই স্থাপত্য শৈলীর নাম 'জোড়বাংলা'। মন্দিরের প্রথম দোচালাটি অলিন্দ এবং দ্বিতীয় দোচালাটি গর্ভগৃহ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। মন্দিরের পাশ থেকে না দেখলে মন্দিরটি যে 'জোড়বাংলা' তা বোঝার উপায় নেই। ত্রিখিলান অলিন্দ। মন্দিরের সামনে মন্দির লাগোয়া একটি নাটমন্দির আছে।
গর্ভগৃহে চতুর্ভূজা মা বোড়াইচণ্ডী প্রতিষ্ঠিতা। বোড়াইচণ্ডীর মূর্তিটি নিমকাঠের তৈরী। তার উপর অষ্টধাতুর পাত দিয়ে মোড়া। পাথরের বোড়াইচণ্ডী মূর্তিটি মন্দিরে সংরক্ষিত আছে। আট ঘর সেবায়েতরা পালা করে মায়ের সেবাকার্য পরিচালনা করে থাকেন।
মন্দিরটি পরিদর্শনের তারিখ : ১৪.০৯.২০১৭
সহায়ক গ্রন্থাবলী :
![]() |
| বোড়াইচণ্ডী মন্দির |
![]() |
| বোড়াইচণ্ডী মন্দির ( নাটমন্দির থেকে তোলা ) |
![]() |
| 'জোড়বাংলা' মন্দির ( পাশ থেকে তোলা ) |
![]() |
| ভৈরব |
![]() |
| গর্ভগৃহের কাজ |
![]() |
| মা বোড়াইচণ্ডী - ১ |
![]() |
| মা বোড়াইচণ্ডী - ২ |
![]() |
| মা বোড়াইচণ্ডী - ৩ |
সহায়ক গ্রন্থাবলী :
১) হুগলি জেলার পুরাকীর্তি : নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য
২) হুগলি জেলার ইতিহাস ও বঙ্গসমাজ ( ২ য় খণ্ড ) : সুধীরকুমার মিত্র ------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন। আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে এ জন্মে, এমনকি পরজন্মেও বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না। অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।
বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির ও বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি'। মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা।
রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য - ৫৯৯ টাকা।
বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন : 9038130757 এই নম্বরে।
কলকাতার কলেজস্ট্রিটের মোড়ে দুই মোহিনীমোহন কাঞ্জিলালের কাপড়ের দোকানের মাঝের রাস্তা ১৫, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিটের উপর অবস্থিত বিদ্যাসাগর টাওয়ারের দু'তলায় 'রা প্রকাশনে'র দোকান ( রা বইহেমিয়ন )। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।































