Siddheswari Kali Mandir Dey Bari Rampara Jangipara Hooghlu লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Siddheswari Kali Mandir Dey Bari Rampara Jangipara Hooghlu লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০২৩

Siddheshwari Kali temple, De Bari, Rampara, Jangipara, Hooghly

  সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, দে বাড়ি, রামপাড়া, জাঙ্গিপাড়া, হুগলি

                                 শ্যামল কুমার ঘোষ 

            হুগলি  জেলার  জাঙ্গিপাড়া  ব্লকের  অধীন  একটি  গ্রাম  রামপাড়া।  কলকাতা  থেকে  দূরত্ব  ৩৮  কিমি।  গ্রামে  দুটি  কালী  মন্দির  বিখ্যাত।  একটি  নন্দী  পরিবারের  এবং  অপরটি  দে  পরিবারের।  এখানে  দে  পরিবারের  কালী  মন্দির  নিয়ে  আলোচনা  করবো।

            উঁচু  ভিত্তিবেদির  উপর  স্থাপিত,  চার  খিলানবিশিষ্ট,  দক্ষিণমুখী  মন্দিরটি  দালান  শৈলীর।  মন্দিরটির  সামনের  দেওয়ালে  সুন্দর  পঙ্খের  আছে। মন্দিরটিতে  পাশাপাশি  কয়েকটি  ঘর।  একটি  ঘরে  মা  সিদ্ধেশ্বরী  বিরাজমান।  বিগ্রহটি  দারু  নির্মিত।  এটি  একটি  ব্যতিক্রমী  কালী  মূর্তি  এবং  খুবই  প্রাচীন।  ওই  একই  ঘরে  আছেন  লোকিক  দেবতা  পঞ্চানন।  এ  ছাড়াও  আছেন  নারায়ণ ( নারায়ণ  শিলা )  ও  লক্ষ্মী  ( কুনকে )।  মন্দিরের  বাকি  ঘরগুলি  ভোগঘর  হিসাবে  বা  অন্য  কাজে  ব্যবহার  করা  হয়।  মন্দিরটি  পাঁচিল  দিয়ে  ঘেরা।  মন্দিরটি  প্রতিষ্ঠা  করেন  রামপাড়ার  এই  দে  পরিবারের  এক  পূর্ব  পুরুষ।

রামপাড়া দে বাড়ি কালী মন্দির

মন্দিরে পঙ্খের কাজ

মন্দিরে খিলানের পঙ্খের কাজ

দালানের ছাদের নিচের পঙ্খের কাজ 

দালানের দেওয়ালে পঙ্খের কাজ

গর্ভগৃহের দৃশ্য 

নারায়ণ ( নারায়ণ  শিলা )  ও  লক্ষ্মী  ( কুনকে )

মা  সিদ্ধেশ্বরী - ১

মা  সিদ্ধেশ্বরী - ২

         কী  ভাবে  যাবেন ?

            হাওড়া  স্টেশন  থেকে  বর্ধমান  কর্ড  লাইনের  ট্রেন  ধরে  বারুইপাড়া  স্টেশনে  নামুন।  সেখান  থেকে  টোটো  ধরে  শিয়াখালার  অটো  স্ট্যাণ্ড।  সেখান  থেকে  টোটোতে  রামপাড়ার  নন্দী  বাড়ির  কাছেই  দে  বাড়ি।

           রামপাড়ার  নন্দী  বাড়ি  কালী  মন্দির  সম্বন্ধে  জানতে  নিচের  লিঙ্কে  ক্লিক  করুন :

            সিদ্ধেশ্বরী  কালী  মন্দির,  নন্দী  বাড়ি,  রামপাড়া,  হুগলি            

        ----------------------------------------------------------

রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ' প্রকাশিত হয়েছে। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।




 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।