Shyamrai Mandir Santipur Nadia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Shyamrai Mandir Santipur Nadia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

Shri Shri Shyamrai Jiu Temple, Shyambazar, Santipur, Nadia

  শ্রী শ্রী শ্যামরাই  জিউ  মন্দির,  শ্যামবাজার,  শান্তিপুর,  নদিয়া
                 
                               শ্যামল  কুমার  ঘোষ 

            শ্রীঅদ্বৈতাচার্য়ের  পুত্র  বলরাম  মিশ্রের  কৃতি  সন্তান  মথুরেশ  গোস্বামী ( চক্রবর্তী )।  মথুরেশের  কনিষ্ট  পুত্র  রামেশ্বর  চক্রবর্তী  বর্তমান  কাশ্যপপাড়ার  কাছে  শ্রী শ্রী রাধাবল্লভ  জিউর  মন্দির  প্রতিষ্ঠা  করেন।  এই  বাড়ি  'চাকফেরা  গোস্বামী'  বাড়ি  নামে  পরিচিত।  প্রসঙ্গত  উল্লেখ্য,  পূর্বকালে  তিন  থেকে  চার  বা  পাঁচ  দর্শনের  পণ্ডিতগণ  'চক্রবর্তী'  বা  'সার্বভৌম'  উপাধি  পেতেন।  রামেশ্বরের  দ্বিতীয়  পুত্র  কেশব।  কেশবের  পুত্র  পিতাম্বর  পিতৃগৃহ  থেকে  পৃথক  হয়ে  শ্যামবাজার  অঞ্চলে  একটি  দালান  মন্দিরে  প্রতিষ্ঠা  করেন  শ্রী শ্রী শ্যামরাই  বিগ্রহ।  কথিত  আছে,  এই  বিগ্রহের  নামে  এখানে  একটি  বাজার  হয়েছিল।  পরে  বাজারটি  বিলুপ্ত  হলেও  অঞ্চলটির  নাম  শ্যামবাজার  রয়ে  গেছে।  বলা  বাহুল্য,  এই  বাড়ি  'চাকফেরা  গোস্বামী'  বাড়ির  উপশাখা।  শ্রী শ্রী শ্যামরাই  জিউ'র  নিত্য  পূজা  ছাড়াও  রাসোৎসব  সহ  সমস্ত  বৈষ্ণব  পূজা-পার্বণ  এখানে  পালন  করা  হয়।  এই  মন্দিরে  শিব   রূপে  একটি  পাথর  ও  প্রস্তর  নির্মিত  জোড়া  কালী  মূর্তিও  পূজিত  হন। কালী  ও  কৃষ্ণের  সহাবস্থান  সত্যই  বিরল।  

শ্রীশ্রী  শ্যামরায়  জিউ  মন্দিরের  তোরণ-পথ

শ্রীশ্রী  শ্যামরায়  জিউ  মন্দির

শ্রীশ্রী  শ্যামরায়  ও  রাধিকা  বিগ্রহ

শিব  ও  জোড়া  কালী

            শান্তিপুরের  এই  মন্দিরে  যেতে  হলে  শিয়ালদহ  থেকে  শান্তিপুর  লোকাল  ধরুন।  রেলপথে  শান্তিপুরের  দূরত্ব  ৯৩  কিমি।    ট্রেনে  সময়  লাগে  আড়াই  ঘন্টা।  স্টেশন  থেকে  রিকশায়  বা  টোটোতে  পৌঁছে  যান  শ্যামবাজার  পাড়ায়  অবস্থিত  গোস্বামী  বাড়ি।  


 সহায়ক  গ্রন্থ :
              ১. রাসোৎসব - ২০১৫  উপলক্ষে  শান্তিপুর  বিগ্রহবাড়ি  সমন্বয়  সমিতি  কর্তৃক  প্রকাশিত  পুস্তিকা

                    ----------------------------
 অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না, বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।