Rasmancha Bishnupur Bankura লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Rasmancha Bishnupur Bankura লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯

Rasmancha, Bishnupur, Bankura


রাসমঞ্চ,  বিষ্ণুপুর,  বাঁকুড়া 

শ্যামল  কুমার  ঘোষ 

            বিষ্ণুপুরের  বিখ্যাত  রাসমঞ্চটি  আনুমানিক  ১৬০০  খ্রিস্টাব্দে  বীর  হাম্বীর  নির্মাণ  করেন।  উচ্চতায়  ১.৫  মিটার  ও  দৈর্ঘ্য-প্রস্থে  ২৪.৫  মিটার।  পিরামিড  আকৃতির  চূড়াবিশিষ্ট  ঝামাপাথরের  এক  প্রশস্ত  ভিত্তিবেদির  উপর  প্রতিষ্ঠিত  এই  আশ্চর্য  মন্দিরটির  গর্ভগৃহের  চারপাশ  ঘিরে আছে  তিন  প্রস্থ  খিলানযুক্ত  দেওয়াল। পুরো  মন্দিরটি  ১০.৭  মিটার  উচ্চতায়  উঠে  এক  স্বল্পপরিসর  সমতল  ছাদে  মিলিত  হয়েছে।  বাইরের  খিলানগুলির  গায়ে  পোড়ামাটির  পদ্ম  ও  পূর্ব  দিকের  দেওয়ালে  গাইয়ে-বাজিয়েদের  কিছু  'টেরাকোটা'  মূর্তি  দেখা  যায়।  মল্ল  রাজাদের  আমলে,  বার্ষিক  রাস-উৎসবের  সময়,  বিষ্ণুপুরের  সমস্ত  রাধাকৃষ্ণ  বিগ্রহ  জনসাধারণের  দর্শনের  জন্য  এখানে  এনে  রাখা  হত।  সে  প্রথার  ছেদ  পড়েছে  বহুকাল। মন্দির  গঠনশৈলীর  দিক  দিয়ে  এই  রাসমঞ্চটির  মত  অভিনব  ইমারত  কেবলমাত্র  দুই  বঙ্গেই  নয়,  সমগ্র  ভারতবর্ষে  বিরল।  এটি  বিষ্ণুপুরের  গৌরব।  বর্তমানে  এটি  'ভারতীয়  পুরাতত্ত্ব  সর্বেক্ষণ' - এর  রক্ষণাধীন।

বিষ্ণুপুরের রাসমঞ্চ - ১

বিষ্ণুপুরের রাসমঞ্চ - ২

বিষ্ণুপুরের রাসমঞ্চ - ৩

রাসমঞ্চের ভিতরের চিত্র 

রাসমঞ্চের একটি স্তম্ভ 

পূর্ব দিকের দেওয়াল 

পূর্ব দিকের দেওয়ালের 'টেরাকোটা' চিত্র - ১

পূর্ব দিকের দেওয়ালের 'টেরাকোটা' চিত্র - ২

পূর্ব দিকের দেওয়ালের 'টেরাকোটা' চিত্র - ৩

পূর্ব দিকের দেওয়ালের 'টেরাকোটা' চিত্র - ৪

পূর্ব দিকের দেওয়ালের 'টেরাকোটা' চিত্র - ৫

পূর্ব দিকের দেওয়ালের 'টেরাকোটা' চিত্র - ৬

'টেরাকোটা'র পদ্ম 

সহায়ক  গ্রন্থ :
         ১)  বাঁকুড়া  জেলার  পুরাকীর্তি : অমিয়কুমার  বন্দোপাধ্যায় 
         ২)  বিষ্ণুপুর : এস. এস.  বিশ্বাস 

           -------------------------------------------
অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না, বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।




প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।