মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৩

Maha Jogeshwari Ashram Annapurna Temple, 2/3 Ramkrishna Lane, Bagbazar, Kolkata

 মহা যোগেশ্বরী আশ্রম অন্নপূর্ণা মন্দির,  

২/৩ রামকৃষ্ণ লেন, বাগবাজার, কলকাতা

                    শ্যামল কুমার ঘোষ

            উত্তর কলকাতার বাগবাজারের মায়ের মন্দিরের কাছে ২/৩,  রামকৃষ্ণ লেনে মহা যোগেশ্বরী অন্নপূর্ণা মন্দির অবস্থিত। উঁচু ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত, এক খিলানবিশিষ্ট, দক্ষিণমুখী মন্দিরটি  পঞ্চরত্ন শৈলীর। পঞ্চরত্ন মন্দিরের ছাদের গঠনে বক্রতা না এনে এখানে সমতল করা হয়েছে। গর্ভগৃহের সামনে আছে অলিন্দ। অলিন্দের ছাদের চার কোণে চারটি শিখর আছে অলিন্দে থামগুলির ফাঁকে ফাঁকে কাঠের 'ঝিলমিল' ( Venetian blind ) লাগানো আছে। গর্ভগৃহ ও অলিন্দের মেঝে পাথরের। মন্দিরটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ৫ই চৈত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা করেন গোবিন্দ্র চন্দ্র সরকার ও তাঁর পত্নী তুলসী মণি দাসী। মন্দিরের অলিন্দের মেঝেতে একটি শ্বেতপাথরের প্রতিষ্ঠাফলক আছে। মন্দিরে সামান্য পঙ্খের কাজ বর্তমান। 

             গর্ভগৃহে সিংহাসনে অষ্টধাতুর মা অন্নপূর্ণা উপবিষ্টা। অন্নদানে রতা মাতৃমূর্তি। তাঁর ডান হাতে অন্নদান করার হাতা এবং বাঁ হাতে অন্নপাত্র। দেবীর ডানপাশে দণ্ডায়মান পাথরের তৈরি মহাদেব, বাঁ কাঁধে পাথরের ভিক্ষার ঝুলি, সঙ্গে ধাতুর শিঙা ও ত্রিশূল এবং ডান হাতে ভিক্ষাপাত্র। দেবীর নিত্য পূজা ছাড়াও চৈত্র মাসে অন্নপূর্ণা পুজোর সময় বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হয়।  

অন্নপূর্ণা ও মহাদেব মূর্তি - ১

মহা যোগেশ্বরী অন্নপূর্ণা মন্দির

মন্দিদের সামনের অলিন্দ 

প্রতিষ্ঠাফলক 

অন্নপূর্ণা ও মহাদেব মূর্তি - ২

অন্নপূর্ণা ও মহাদেব মূর্তি - ৩

অন্নপূর্ণা ও মহাদেব মূর্তি - ৪

সহায়ক  গ্রন্থ :
       ১) কলকাতার মন্দির-মসজিদ ( স্থাপত্য-অলংকরণ-রূপান্তর ) : তারাপদ সাঁতরা                

              কলকাতার অন্যান্য মন্দির সম্বন্ধে জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন : 

                             কলকাতার  মন্দির

                   ----------------------------------

 রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ' প্রকাশিত হয়েছে। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন