Radha Shyamsundar Jiu Mandir Durga Charan Mukherjee Street Bagbazar Kolkata লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Radha Shyamsundar Jiu Mandir Durga Charan Mukherjee Street Bagbazar Kolkata লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩

Radha Shyamsundar Jiu Temple, Durga Charan Mukherjee Street, Bagbazar, Kolkata

 রাধা শ্যামসুন্দর জিউ মন্দির,  

দুর্গা চরণ মুখার্জী স্ট্রিট, বাগবাজার, কলকাতা

                     শ্যামল কুমার ঘোষ

            উত্তর কলকাতার বাগবাজারের ক্ষীরোদ প্রসাদ বিদ্যাবিনোদ  এভেন্যুয়ের উপর অবস্থিত সারদা তোরণের কাছে ৩০/১, দুর্গা চরণ  মুখার্জী স্ট্রিটে রাধা শ্যামসুন্দর জিউ মন্দির অবস্থিত।

            বাড়ির প্রবেশদ্বার দিয়ে প্রবেশ করলে সামনেই মন্দিরটি দেখা যায়। উঁচু ভিত্তিবেদির উপর স্থাপিত মন্দিরটি  সমতলছাদবিশিষ্ট  একটি দালান শৈলীর একতলা মন্দির। মন্দিরের সামনে আছে অলিন্দ। অলিন্দের নিচে বর্গাকৃতি ছোট ফাঁকা উঠান এবং তাকে  ঘিরে অনেকগুলি ঘর। দোতালা ও তিনতলাতেও নিচের মত ঘর আছে। গর্ভগৃহের দুপাশে দুটি কৃষ্ণলীলার দুটি চিত্র অঙ্কন করা আছে। মন্দিরের সামনের উঠানে চারটি মর্মর মূর্তি আছে। চারটি মূর্তির মধ্যে দুটি মূর্তি মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস সাহা ও তাঁর পুত্র বঙ্কু বিহারী সাহার। অপর দুটি মূর্তি হরিদাস সাহা ও তাঁর পুত্র বঙ্কু বিহারী সাহার পত্নী যথাক্রমে মঞ্জরী দাসী ও নবকুমারী দাসীর।      

          ১৩৪৪ বঙ্গাব্দের ১৩ই ফাল্গুন শুক্রবার পূর্ণিমা তিথিতে ( ১৯৩৮  খ্রিস্টাব্দের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ) মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা করেন  স্বর্গীয় হরিদাস সাহা। মন্দিরের প্রবেশ দ্বারের বাঁ দিকে একটি  শ্বেতপাথরের প্রতিষ্ঠাফলক আছে। মন্দিরের গর্ভগৃহে শ্যামসুন্দর ও রাধিকা বিগ্রহ নিত্য পূজিত।

শ্যামসুন্দর ও রাধিকা মূর্তি - ১

মন্দিরের প্রবেশদ্বার  

মন্দিরের গর্ভগৃহ 

কৃষ্ণলীলার চিত্র - ১

কৃষ্ণলীলার চিত্র - ২

প্রতিষ্ঠাফলক 

শ্যামসুন্দর ও রাধিকা মূর্তি - ২

শ্যামসুন্দর ও রাধিকা মূর্তি - ৩

             কলকাতার অন্যান্য মন্দির সম্বন্ধে জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন : 

                             কলকাতার  মন্দির

                  ----------------------------------

 রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ' প্রকাশিত হয়েছে। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।




 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।