Jaychandi Mandir Hatbasantapur Arambagh Hooghly লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Jaychandi Mandir Hatbasantapur Arambagh Hooghly লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৭

Jaychandi Temple, Hatbasantapur, Arambagh, Hooghly, West Bengal


জয়চণ্ডী  মন্দির,  হাটবসন্তপুর,  হুগলি 

শ্যামল  কুমার  ঘোষ  


            হাওড়া-আরামবাগ  রেলপথে আরামবাগের  আগের  স্টেশন  মায়াপুর।  রেলপথে  হাওড়া  থেকে  দূরত্ব  ৭৩  কিমি।  মায়াপুর   স্টেশন  থেকে  ৩  কিমি  দূরের  একটি  গ্রাম  হাটবসন্তপুর।  হাটবসন্তপুরের  বাস-স্টপেজ  বলরামপুর।  মায়াপুর  স্টেশন  থেকে  মোটর  চালিত  ভ্যানে  প্রথমে  মুথাডাঙ্গা।  সেখান  থেকে  টোটো  বা  বাসে  বলরামপুর।  সেখান  থেকে টোটোতে  বা  হেঁটে  হাটবসন্তপুর।  আরামবাগ  বা  তারকেশ্বর  থেকে  বাসেও  এখানে  যাওয়া  যায়।

            এই  গ্রামের  চিনা  বংশ  প্রতিষ্টিত  জয়চণ্ডী  মন্দির  উল্লেখযোগ্য।  এঁদের  পূর্বের  পদবি  ছিল  পাল।  এই  বংশের  কোন  এক  পূর্বপুরুষ  বর্ধমান  রাজ  কর্তৃক  উপাধি  পান  'চিনা'।  তিনি  বর্ধমান  রাজ-দরবারে  কিছু  শনাক্তকরণ  করেছিলেন  অর্থাৎ  চিনেছিলেন।  তাই  এই  উপাধি  পান।  মন্দিরটি  পশ্চিমমুখী,  ত্রিখিলান  প্রবেশপথযুক্ত  ও  আটচালা  শৈলীর।  মন্দিরটি  এখন  অনেকটা  বসে  গেছে।  বর্তমানে  মন্দিরটির  ভিত্তিবেদি  ভূমি  সমতলে  এসে  গেছে।  মন্দিরের  সামনে  অলিন্দ।  গর্ভগৃহে  ঢোকার  দুটি  প্রবেশদ্বার।  একটি  পশ্চিম  দিকে,  অন্যটি  দক্ষিণ  দিকে।  মন্দিরের  সামনের  অর্থাৎ  পশ্চিম  দিকের  দেওয়ালে  মৃৎফলকের  উপর  বর্ণাঢ্য  চিত্রাবলী  বিদ্যমান।  দক্ষিণ  দিকেও  অল্প  'টেরাকোটা'  অলংকরণ  আছে।  শীর্ষদেশে  তিনটি  আমলক।  মন্দিরটি  ১৬৫৬  শকাব্দে  ( ১৭৩৪  খ্রিস্টাব্দে )  নির্মিত।  মন্দিরে  একটি  প্রতিষ্ঠাফলক  বর্তমান।  গর্ভগৃহে  শ্রীশ্রী  জয়চণ্ডী  দেবী  ঘটে  পূজিত  হন।
         


জয়চণ্ডী  মন্দির 

মন্দিরের  সামনের  বিন্যাস 

মন্দিরের  ত্রিখিলান  বিন্যাস 

মন্দিরের  শিখর 

আমলক 

বাঁ  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ - ১ 

বাঁ  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ ( বড়  করে ) - ১ক 
মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ - ১

মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ ( বড়  করে ) - ১ক

মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ ( বড়  করে ) - ১খ  

ডান  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ - ১

ডান  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ ( বড়  করে ) - ১ক
মন্দিরের  একদিকের  কোনাচ 

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১ 

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ২

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৩

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৪

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৫ 

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৬

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৭

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৮

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ৯

প্রতিষ্ঠাফলক 

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১০

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১১

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১২

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১৩

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১৪

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১৫

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১৬

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১৭

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১৮

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ১৯

কুলুঙ্গির  মধ্যের  কাজ - ২০

মকর  মূর্তি 

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১ক 

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ১খ 

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ২

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৩

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪ক 

ভিত্তিবেদি  সংলগ্ন  'টেরাকোটা'র  কাজ - ৪খ 

পশ্চিম  দিকের  প্রবেশদ্বারের  খিলানের   উপরের  কাজ 

দক্ষিণ  দিকের  ত্রিখিলান  বিন্যাস 

দক্ষিণ  দিকের  বাঁ  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ 

দক্ষিণ  দিকের  মাঝের  খিলানের  উপরের  কাজ

দক্ষিণ  দিকের  ডান  দিকের  খিলানের  উপরের  কাজ


 সহায়ক  গ্রন্থ : 
          ১)  হুগলি  জেলার  পুরাকীর্তি :  নরেন্দ্রনাথ  ভট্টাচার্য 

               ----------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না।বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।





 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।