Banshbunia Goswami Bari Santipur Nadia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Banshbunia Goswami Bari Santipur Nadia লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৫

Banshbunia Goswami Bari, Santipur, Nadia, West Bengal

       

   শ্যামসুন্দর জিউ  মন্দির, বাঁশবুনিয়া  গোস্বামী  বাড়ি, শান্তিপুর,  নদিয়া  

                                                       শ্যামল  কুমার  ঘোষ 
                বৈষ্ণব  চূড়ামণি  শ্রীঅদ্বৈতাচার্য়ের  চতুর্থ  পুত্র  বলরাম  গোস্বামীর  জ্যেষ্ঠ পুত্র  মথুরেশ  গোস্বামীর  কনিষ্ঠ  পুত্র  রামেশ্বর  থেকেই  ছোটো  গোস্বামী  বাড়ির  উৎপত্তি।  রামেশ্বর  গোস্বামীর  ছোটো  পুত্র  সন্তোষ  গোস্বামীই  বাঁশবুনিয়া  গোস্বামী  বাড়ির  প্রতিষ্ঠাতা।  কথিত  আছে,  আগে  এখানে  বাঁশগাছের  বন  ছিল।  সেজন্যই  নাম  বাঁশবুনিয়া।
                আনুমানিক  ৩৫০ বছর  আগে  সন্তোষ  গোস্বামী  বাঁশবন  পরিষ্কার  করে  শ্যামসুন্দর  জীউর  মূর্তি  প্রতিষ্ঠা  করেন।  মূল  মন্দির  ছাড়াও  এই  গোস্বামী  বাড়িতে  একটি  ভোগ  মন্দির  ও  কিছুটা  দূরে  একটি  রাস  মন্দির  আছে।  আগে  এখানে  বিদ্যাচর্চার  জন্য  টোল  ছিল।  এই  বাড়িতে আগে  দুর্গাপূজাও  হত  ধুমধামের  সঙ্গে। 
                নিত্যানন্দ  গোস্বামী  ছিলেন  এই  বংশের  সুসন্তান ।  তিনি  শান্তিপুরে  বাংলা  (অধুনা  হিন্দু )  স্কুলের  প্রতিষ্ঠা  করেন  এবং  বাংলা  ভাষায়  "বঙ্গভাষা  ব্যকরণ"  ও  "সুলভ  ব্যকরণ"  পুস্তক  রচনা  করেন।  বর্তমানে  এই  বংশের  অষ্টম  পুরুষদের  দ্বারা  শ্রীশ্রীশ্যামসুন্দর  জীউর  সেবাকার্য  পরিচালিত  হচ্ছে।  

                শান্তিপুরে  যেতে  হলে  শিয়ালদহ  থেকে  শান্তিপুর  লোকাল  ধরুন।  রেলপথে  শান্তিপুরের  দূরত্ব  ৯৩  কি. মি. ;  ট্রেনে  সময়  লাগে  ঘন্টা  আড়াই। ৩৪ নং  জাতীয়  সড়ক  শান্তিপুরের  ওপর  দিয়ে  গেছে।  তাই  বাসে  বা  গাড়িতেও  যেতে  পারেন। 


বাঁশবুনিয়া  গোস্বামী  বাড়ির  তোরণপথ  

শ্রীশ্রী  শ্যামসুন্দর  জিউ  মন্দির

ভোগ  মন্দির 

রাসমন্দির

শ্রীশ্রী  শ্যামসুন্দর  বিগ্রহ - ১

শ্রীশ্রী  শ্যামসুন্দর  বিগ্রহ - ২

          সহায়ক  গ্রন্থ  : 
                            ১. রাসোৎসব - ২০১৫  উপলক্ষে  শান্তিপুর  বিগ্রহবাড়ি  সমন্বয়  সমিতি  কর্তৃক  প্রকাশিত  পুস্তিকা      
           
                           -----------------------

  অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাসজ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে  জন্মেএমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না,  বিধবাদেরও পরজন্মে বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাসশ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভখড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 

সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির  বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 




রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'। বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।





 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের কাছে ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশনে ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।