Pages

রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১

Brindaban Bihari Temple, Nimtala Ghat Street, Nimtala / Jorabagan, Kolkata

 বৃন্দাবন বিহারী মন্দির, নিমতলা ঘাট  স্ট্রিট, নিমতলা / জোড়াবাগান, কলকাতা 

                  শ্যামল কুমার ঘোষ 

            কলকাতার নিমতলা / জোড়াবাগান অঞ্চলের ২২ই, নিমতলা  ঘাট স্ট্রিটে বৃন্দাবন বিহারী মন্দির অবস্থিত। উঁচু ভিত্তিবেদির উপর  স্থাপিত, পশ্চিমমুখী একটি দেউল ও দুটি আটচালা শিবের মন্দির সংযুক্তভাবে নির্মিত। মন্দিরগুলির সামনে অলিন্দ আছে। দেউল  মন্দিরের গর্ভগৃহে একটি সিংহাসনে বৃন্দাবনবিহারী-রাধিকা ও আর  একটি কৃষ্ণ-রাধিকা মূর্তি প্রতিষ্ঠিত ও  নিত্য পূজিত। দুটি শিবমন্দিরে  দুটি কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠিত ও নিত্যপূজিত। মন্দিরের  সামনে কিছুটা ফাঁকা জায়গা  আছে। মন্দিরটি ঘেরা ক্ষেত্রে অবস্থিত। 

            মন্দিরটি ১৩৪১ বঙ্গাব্দের ২রা জ্যৈষ্ঠ বুধবার প্রতিষ্ঠিত হয়।  উপেন্দ্র মোহন চৌধুরীর দুই পুত্র সতীশ চন্দ্র চৌধুরী ও সুরেশ  চন্দ্র চৌধুরী তাঁদের পিতার স্মৃতিরক্ষার্থে এই মন্দির ও বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা  করেন। বিগ্রহের সিংহাসনের নিচে একটি শ্বেতপাথরের প্রতিষ্ঠাফলক আছে।

        সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি। এই মন্দিরের পাশেই চৌধুরীদের একটি বাড়িতে  ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রতিষ্ঠা হয়। বাড়িটির সামনে ক্লাবের শতবার্ষিকীর স্মরণে একটি ফলক লাগানো আছে। 

            তারাপদ সাঁতরার লেখা "কলকাতার মন্দির-মসজিদ ( স্থাপত্য-অলংকরণ-রূপান্তর )" গ্রন্থে এই দেবায়তনের উল্লেখ আছে। মন্দিরটি পরিদর্শনের তারিখ : ০২.১২.২০২১

দুটি  শিবমন্দির 

দেউল মন্দির 

গর্ভগৃহের সামনের বিন্যাস 

বৃন্দাবন বিহারী বিগ্রহ - ১

বৃন্দাবন বিহারী বিগ্রহ - ২

প্রতিষ্ঠাফলক 

দুটি শিবলিঙ্গের একটি 

সতীশ চন্দ্র চৌধুরী 

সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী 

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের শতবার্ষিকী-স্মারক

 
        
  কলকাতার অন্যান্য মন্দির সম্বন্ধে জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন / লিংকের উপর আঙুল দিয়ে টোকা দিন : 

                        কলকাতার  মন্দির

          -------------------------------------------

অগ্রদ্বীপের গোপীনাথকে নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে শোভাবাজার রাজবাড়ির মহারাজা নবকৃষ্ণের মামলা হয়েছিল এবং সে মামলা প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

 বিষ্ণুপুরের প্রাণের দেবতা মদনমোহনকে মল্লরাজ চৈতন্য সিংহ কলকাতার গোকুল মিত্রের কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন।

 আড়ংঘাটার যুগলকিশোর দর্শন করতে আসা মহিলাদের বিশ্বাস, জ্যৈষ্ঠমাসে যুগলকিশোর দর্শন করে পুজো দিলে জন্মে, এমনকি পরজন্মেও  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হয় না। বিধবাদেরও পরজন্মে  বৈধব্যদশা ভোগ করতে হবে না।

 অনেক ভক্তদের বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের রাধাবল্লভ, খড়দহের শ্যামসুন্দর এবং 
সাঁইবনার নন্দদুলাল -এই তিনটি বিগ্রহ উপবাসে থেকে একই দিনে দর্শন করলে আর
পুনর্জন্ম হয় না।

 বঙ্গের এইরকম চোদ্দোটি মন্দির বিগ্রহের অজানা কাহিনি নিয়ে আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই  'মন্দির ও বিগ্রহের কাহিনি' মুদ্রিত মূল্য: ৩৯৯ টাকা। 



রামায়ণের ৭টি খণ্ডের ৬৪ টি উপাখ্যান ও ১৮৫ টি টেরাকোটা ফলকের আলোকচিত্র সংবলিত আমার লেখা এবং 'রা প্রকাশন' কর্তৃক প্রকাশিত বই 'বাংলার টেরাকোটা মন্দিরে রামায়ণ'বইটির মুদ্রিত মূল্য — ৭৯৯ টাকা।



 প্রকাশনীতে বইটি সেরা বইয়ের সম্মান স্বর্ণকলম ২০২৫ পেয়েছে ।




 বই দুটি ডাক যোগে সংগ্রহ করতে হলে যোগাযোগ করুন :  9038130757 এই নম্বরে। 

কলকাতার কলেজস্ট্রিটের চার মাথা মোড়ের হাওড়ার দিকের রাস্তায় ৯৩, মহাত্মা গান্ধী রোডে অবস্থিত হিন্দু সৎকার সমিতি বিল্ডিং-এর দু তলায় ( টেকনো ওয়ার্ল্ড -এর বিপরীতে ) 'রা প্রকাশন ও মুদ্রণের' বিপণি 'রা বইহেমিয়ন'। ওখান থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। কোনও অসুবিধা হলে উপরোক্ত নম্বরে ফোন করতে পারেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন